ব্রিটেনে লিজ ট্রাসের উত্তরসূরি নির্বাচনের সময় দ্রুতই এগিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন হাউজ অব কমনস নেতা পেনি মরড্যান্ট।
তবে পছন্দের শীর্ষে থাকা ঋষি সুনাক ও বরিস জনসন নির্বাচনে অংশ নেবেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
রোববার (২৩ অক্টোবর) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ নিয়ে বৈঠক করেছেন দুই সম্ভাব্য প্রার্থী ঋষি সুনাক ও বরিস জনসন। তবে তাদের মধ্যে কী কী কথাবার্তা হয়েছে তা জানা যায়নি।
এ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে ইচ্ছুক কনজারভেটিভ নেতাকে কমপক্ষে ১০০ জন এমপির সমর্থন পেতে হবে। বিবিসি জানিয়েছে, এরইমধ্যে ঋষি সুনাককে সমর্থন জানিয়েছেন ১২৮ জন কনজারভেটিভ এমপি। ফলে দৌড়ে তিনি অনেকটাই এগিয়ে আছেন বলা যায়।
এদিকে বিবিসির হিসাবমতে, বরিস জনসনকে সমর্থন করছেন ৫৩ জন এমপি। যদিও, বরিসের পক্ষে ১০০ এমপির সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করছে তার শিবির।
তবে, এ দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে প্রমাণ দেখাতে বলছেন ঋষি সুনাকের সমর্থকরা।
অন্যদিকে পেনি মরড্যান্ট সবার আগে প্রার্থিতা ঘোষণা করলেও, এখন পর্যন্ত তাকে সমর্থন করছেন মাত্র ২৩ জন এমপি। ফলে দৌড়ে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন তিনি।
তবে মরড্যান্টের সমর্থকদের দাবি, দলীয় কোন্দলকে পাশে হটিয়ে দেশবাসীকে একতাবদ্ধ করার জন্য চমৎকার একজন প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি।
জানা গেছে, শনিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বৈঠক করেছেন সুনাক ও জনসন। তবে রোববারই তাদের পক্ষ থেকে নতুন কোনো ঘোষণা আসবে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।
জনমত জরিপে দেখা গেছে, সাধারণ জনগণের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন বরিস জনসন। যদি শেষ পর্যন্ত কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যদের ভোট দিতে হয়, তাহলেও বরিসেরই জেতার সম্ভাবনা বেশি।
তবে এমপিদের সমর্থনের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক। অনেকেই মনে করেন, বরিস জনসন প্রধানমন্ত্রী হলে তার মানে হবে আবার পেছনের সময়ে ফিরে যাওয়া।
আরও পড়ুন: পাঁচ জার্মান নিয়ে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ মিললো
মোট ৩৫৭ জন কনজারভেটিভ এমপির মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০৪ জন কাকে সমর্থন করছেন তা জানতে পেরেছে বিবিসি। সুতরাং এখনও অনেকেই বাকি রয়েছেন যারা কাকে সমর্থন করছেন তা জানা যায়নি।
সোমবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর দুইটা পর্যন্ত সময় আছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের হাতে। যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তাহলে এর আগেই যথেষ্ট সংখ্যক এমপির সমর্থন জোগাড় করতে হবে তাদের।
একাত্তর/এসজে
