ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের মন্ত্রিসভা থেকে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করা সুয়েলা ব্রেভারম্যানকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে ফিরিয়ে এনে প্রথম ভুল করলেন নতুন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। এনিয়ে তার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন দেশটির বিরোধী দল।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ হঠাৎ করে ছাড়েন সুয়েলা ব্রেভারম্যান। এতে আরও চাপে পড়ে যান লিজ ট্রাস। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি আর মূল্যস্ফীতি তাকে বেসামাল করে তোলে। শেষ পর্যন্ত ৪৫ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন লিজ ট্রাস।
এরপর দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন ঋষি সুনাক, যিনি এর আগে ট্রাসের সঙ্গেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হেরে গিয়েছিলেন। সেই ব্রেভারম্যানকে পদে ফিরিয়ে আনায় ব্রিটেনজুড়ে বিতর্ক চলছে। দেশটির রাজনীতিবিদরা বলছেন, সুয়েলা ব্রেভারম্যানকে ফিরিয়ে প্রথম ভুল করলেন ঋষি সুনাক।
এক সহকর্মীকে ব্যক্তিগত ই-মেইল অ্যাকাউন্ট থেকে দাপ্তরিক নথি পাঠানোর পর বিতর্ক সৃষ্টি হলে পদত্যাগের ঘোষণা দেন সুয়েলা। ওই ঘটনাকে তিনি ‘প্রযুক্তিগত বিধি লঙ্ঘন’ বলে মনে করেন। সুয়েলা বলেন, আমি ভুল করেছি। আমি দায় নিচ্ছি, পদত্যাগ করছি।
বিধি লঙ্ঘনের দায় নিয়ে সদ্য পদত্যাগ করা একজনকে আবারও পদে ফিরিয়ে আনায় বিরোধীরা সরব হয়েছেন। তারা ঋষি সুনাকের প্রতি তাদের প্রশ্ন, সরকারি গোপনীয়তা সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘন করে যিনি পদত্যাগ করেছেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কীভাবে তাকে সরকারের শীর্ষপদে ফিরিয়ে আনা হলো? এনিয়ে এখনও কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক।
একাত্তর/এআর
