চট্টগ্রামের জামালখানে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) রাতে ওই শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ জামালখান এলাকার একটি নালা থেকে উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, গ্রেপ্তার লক্ষণ দাস ওই এলাকার একটি মুদি দোকানের কর্মচারী। নিহত মারজান হক বর্ষা প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল। মা বাবার সাথে নগরীর জামালখান এলাকায় থাকতো শিশুটি।
বর্ষার বাবা মো. ইউসুফ জানান, গত ২৪ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আঘাত হানার দিন বিকেলে বাসার পাশের দোকান থেকে চিপস কিনতে বের হয় বর্ষা। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিল শিশুটি।
পুলিশ জানিয়েছে, স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে পুলিশের শরণাপন্ন হলে পুলিশ অভিযানে নামে। কিন্তু তিন দিনেও বর্ষার খোঁজ দিতে পারেনি পুলিশ। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নালায় পাওয়া যায় তার বস্তাবন্দী মৃতদেহ।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির জানান, নালা থেকে বর্ষার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধারের পর টিসিবির বস্তা ও সেইসাথে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এলাকার গোডাউন থেকে রাতেই সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: বাউফলে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে আহত, আটক এক
সিএমপি'র উপ-কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, চিপস কিনে বাসায় ফেরার সময় বর্ষাকে জোর করে মুদির দোকানের গোডাউনে নিয়ে যান কর্মচারী লক্ষণ দাশ। গোডাউনে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার পর মরদেহ বস্তায় ভরে পাশের নালায় ফেলে দেন তিনি।
উপ-কমিশনার আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে এ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন লক্ষণ দাস। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
একাত্তর/এসজে
