হেক্সা মিশনে ব্যর্থ হয়ে এখন দেশে সেলেকাওরা। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয়ার পর তাদের চোখের পানি সবার হৃদয়কে ছুঁয়ে গেছে। কাতার থেকে অনেক দিন আগেই দেশে ফিরে গেছেন নেইমাররা। আর দেশে ফিরেই আবারও তারা শিরোনাম হয়েছেন।
এবার নেইমাররা শিরোনাম হচ্ছেন তাদের আনন্দ-ফূর্তি আর নানা আচরনের কারণে। কম-বেশি সবাই পার্টিতে মজেছেন, ঘুরে বেড়াচ্ছেন। করছেন বান্ধবীদের নিয়ে নিশিযাপনও। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা অ্যান্টোনি স্যান্টোস।
বিলাসবহুল গাড়ি চালাতে চালাতে ফটোশুট করে বিপাকে পড়েছেন তিনি। নামকরা রেসিং কার ব্রান্ড- ল্যাম্বরগিনি অ্যাভেনটাডর মডেলের একটি গাড়িতে চেপে ভিডিও শুট করেন তিনি। এই গাড়ির দাম বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা।
সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে পরে তা ডিলিটও করে দেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড এই তারকা। কারণ এই ভিডিওর জন্য সাজা হতে পারে, এমনটা টের পেয়েই স্যান্টোস সেটি মুছে ফেলেন। ব্রাজিলিয়ান আইনে গাড়ি চলা অবস্থায় ভিডিও করা আইনত অপরাধ।
কাতার বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দল বাছাইয়ের সময় মাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড তারকা অ্যান্টোনি স্যান্টোসকে দলে নেন কোচ তিতে। দেশের জার্সিতে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ। আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন স্যান্টোস। ল্যাম্বরগিনি চালাতে চালাতে ভিডিও শুট করেন ২২ বছরের অ্যান্টোনি।

গাড়ি চালাতে চালাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা ট্রাফিক আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন ভঙ্গ করেই এই ভিডিওটি শুট করেন অ্যান্টোনি স্যান্টোস। পরে অপরাধ বুঝতে পেরে এবং কেলেঙ্কারি এড়াতেই সাধের ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলেন অ্যান্টোনি।
আরও পড়ুন: রিজওয়ান বেঞ্চে, সরফারাজকে দলে আনলেন আফ্রিদি
কাতার বিশ্বকাপে এক ম্যাচেই তাকে মাঠে নামতে দেখা গেছে। যদিও সেই ম্যাচে ক্যামেরুনের কাছে ০-১ ব্যবধানে হেরেছিল সেলেকাওরা। বিশ্বকাপে হারের বেদনা সামলে আবারও নিজের ক্লাবে ফিরে গেছেন অ্যান্টোনি। অনুশীলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তিনি।
ছেলেবেলা থেকে দারিদ্রতাকে সঙ্গী করে বড় হয়েছেন স্যান্টোস। এক সময় শোবার ঘরও ছিল না তার, সোফায় শুয়ে রাত কাটিয়েছেন। সেখান থেকে এই জায়গায় পৌঁছে আবেগের বসে হয়তো এমনটা করে ফেলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
একাত্তর/এসি
