বিশ্বকাপ জয়ের পর দ্বিধাহীনভাবেই এখন মেসিই সেরা। তবে প্রশ্ন যখন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিয়ে তখন সেখানে পুরোটাই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোময়।
তবে রোনালদো ইউরোপ ছাড়ার পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ময়দান এখন খালি। লিওনেল মেসির সামনে এখন ইউরোপ সেরা হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ।
রোনালদোর কাছে নেই ঘটনার কোন রেশ। সব কিছু ভুলে আল নাসরে আছেন বেশ। অন্যদিকে রোজারিওর ছেলেটার তো বৃহস্পতি তুঙ্গে।
বিশ্বকাপটাকে তার আসল ঠিকানায় রেখে আর্জেন্টিনা থেকে ফিরে পুরো মনোযোগ এখন ট্রেনিং সেশনে। মেসি-রোনালদো গেল ১৬ বছর ধরে বিশ্ব এই দুইয়ের ধ্রুপদী লড়াইয়ে মুগ্ধ।
কে সেরার তর্কে নানা মত থাকলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বরাবরই সিআরসেভেনের রাজ। পর্তুগিজ তারকা ইউরোপ ছাড়ায় মেসির সামনে এখন খালি মাঠ।
এলএমটেনের সামনে অপার সুযোগ ইউসিএলে রোনালদোকে ঝাপসা করে দেয়ার।
১. ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৮৩ ম্যাচ খেলেছেন রোনালদো। ২২ ম্যাচ পিছিয়ে মেসির সংখ্যাটা ২২। ম্যাচ খেলার এই রেকর্ড ভাঙতে মেসিকে হাটতে হবে আরো অনেকটা পথ।
২. ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রোনালদো খেলেছেন বেশি তেমনি গোল সংখ্যাও বেশি । সিআরসেভেনে ঝুলিতে ১৪০ গোল। লিও মেসির সংখ্যাটা ১২৯ ।
৩. ২০১৩-১৪ সিজনে ক্রিশ্চিয়ানো করেছিলেন ১৭ গোল । ২০১১-১২ তে লিওনেল মেসির গোল ছিলো ১৪। চলতি মৌসুমে পাঁচ ম্যাচে করেছেন চার গোল। হাতে আছে সাত ম্যাচ।
৪. ইউসিএলের নকআউট পর্বে গোলের হিসেবে পর্তুগিজ স্ট্রাইকার এগিয়ে যোজন যোজন দূর। রোনালদোর ৬৭ গোলের বিপরীতে মেসির৪৯ গোল।
৫.চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টপ স্কোরারের তালিকায় অবশ্য দুজনেই প্রায় সমান সমান। রোনালদো এখন পর্যন্ত ৭ বার হয়েছেন সেরা মেসি সিক্স টাইমস।
আরও পড়ুন: নেইমারকে ৫৫০ কোটি টাকায় বেচতে চায় পিএসজি
৬. চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের ক্ষেত্রেও রোনালদো এগিয়ে খানিকটা সংখ্যাটা ৫ । এক পিছিয়ে মেসি উঁচিয়ে ধরেছেন চারবার। এবার পেয়ে গেলেই কেল্লা ফতে।
২০২১ কোপা আমেরিকা জয় দিয়ে কেটে গিয়েছিলো মেসির ফাঁড়া, ২০২২ বিশ্বকাপটা দিলো ধরা এই নিয়ম মেনে ২০২৩ এ কি মেসি এনে দিবেন প্যারিসিয়ানদের প্রথম ইউসিএল শিরোপা।
