মানহানির অভিযোগে চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে এবার মামলা করলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক রহমত উল্লাহ। আদালত মামলাটি পুলিশের বিশেষ শাখা পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলম সম্প্রতি এ আদেশ দেন।
মঙ্গলবার আদালতের পেশকার নাজমুল হোসেন বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
এর আগে ২১ মার্চ গণমাধ্যমের কাছে রহমত উল্লাহকে বাটপার, প্রতারক ও আপত্তিকর মন্তব্য করায় শাকিব খানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান রহমত উল্লাহর আইনজীবী। গত ২৩ মার্চ চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির অভিযোগে মোহাম্মদ রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে সিএমএম আদালতে মামলা করেন নায়ক শাকিব খান।
এর পর ২৭ মার্চ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জুলফিকার হায়াতের আদালতে মামলা করেন চিত্রনায়ক শাকিব খান।
রহমত উল্লাহর আইনজীবী তবারক হোসেন বলেন, তার মক্কেল একজন প্রযোজক। কিন্তু চিত্রনায়ক শাকিব খান তাকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এজন্য তিনি আইনি প্রতিকার চেয়ে আদালতে শাকিব খানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে শাকিব খানের আইনজীবী খায়রুল হাসান জানান, তারা বিষয়টি জেনেছেন, তার মক্কেল শাকিব খানের বিরুদ্ধে নালিশি আবেদন করা হয়েছে। আদালত সেটি সরাসরি আমলে না নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে।
এর আগে গত ২৭ মার্চ ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে প্রযোজক রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে মানহানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। তার করা মামলাটিও তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এই মামলা করার চার দিন আগে রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে চাঁদাবাজি ও মানহানির আরেকটি মামলা করেন শাকিব খান। ওই মামলায় ২৬ এপ্রিল রহমত উল্লাহকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন ঢাকার সিএমএম আদালত।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে শাকিব খানের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন রহমত উল্লাহ। অভিযোগে তিনি বলেন, ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় এক নারী সহপ্রযোজককে ধর্ষণ করেন শাকিব খান। এ সিনেমার অন্যতম প্রযোজক রহমত উল্লাহ।
একাত্তর/এআর
