নেত্রকোণার বারহাট্টায় বখাটের দায়ের কোপে দশম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।
বুধবার বারহাট্টা উপজেলার প্রেমনগর ছালিপুরা গ্রামে নিজ বাড়ির কাছের জংগল থেকে ওই বখাটে তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গ্রেপ্তার কাউছার ওই গ্রামের বাসিন্দা। নিহত মুক্তি রানী বর্মণ ওই গ্রামের কৃষক নিখিল বর্মণের মেয়ে। সে ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
এর আগে, মঙ্গলবার সকালে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মুক্তি রানী বর্মণকে দা দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে কাউছার।
স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক মুক্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে সেখানে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মুক্তিকে প্রায়সময়ই আসা-যাওয়ার পথে উত্যক্ত করতো কাউছার। সে প্রায়ই মুক্তির কাকাতো ভাই ও তার বন্ধুদের মারধর করতো আর মুক্তির মোবাইল নম্বর চাইতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে রিসোর্টের পুকুরে ডুবে দুই কলেজছাত্রের মৃত্যু
নেত্রকোণা পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত কাউছারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দা দিয়ে পরপর তিনটি কোপ দিয়ে মুক্তিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে সে।
তবে প্রেমের প্রস্তাব বা উত্যক্ত করার অভিযোগের ব্যাপারে আরও জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
একাত্তর/এসজে
