আল কাদির ট্রাস্ট মামলায় দুই সপ্তাহের জামিন পাওয়ার পর আদালত ত্যাগ করে বাড়ি ফিরেছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই নেতা ইমরান খান।
শুক্রবার আদালত থেকে বের হয়ে তার ‘অপহরণের’ জন্য দেশটির সেনাপ্রধানকে দায়ী করেন তিনি।
ইসলামাবাদ হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপকালে তিনি একথা বলেন।
বিচার বিভাগ তার পক্ষে থাকলেও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তার বিরুদ্ধে কাজ করছে, এমন ধারণা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এটি নিরাপত্তা সংস্থা নয়। এটা একজন মানুষ, সেনাপ্রধান। সেনাবাহিনীতে গণতন্ত্র নেই। যা ঘটছে তাতে সেনাবাহিনী অপমানিত হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এবং তিনি (সেনাপ্রধান) চিন্তিত যে আমি যদি ক্ষমতায় আসি, আমি তাকে ডি-নোটিফাই করব। যেটা আমি করছি না বলে তাকে বার্তা পাঠাতে আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তার সরাসরি নির্দেশেই এসব হচ্ছে। তিনি নিশ্চিত যে আমি জিতলে তাকে ডি-নোটিফাই করা হবে।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সরকার কর্তৃক তার দলের ‘নির্যাতন’ সম্পর্কেও কথা বলেছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত এক বছরে পাঁচ হাজার লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
খানের সমালোচকরা তাকে ২০১৮ সালে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর সাহায্যে ক্ষমতায় আসার জন্য অভিযুক্ত করেছিল। তবে উভয়পক্ষই এই অভিযোগ অস্বীকার করে।
পরে তিনি জেনারেলদের সাথে ছিটকে পড়ার পর গত বছর তাকে অপসারণের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন। তখন থেকেই তিনি বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সোচ্চার সমালোচক।
একাত্তর/এসজে
