চক্রের কারণে ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না পঞ্চগড়ের চা চাষিরা

আপডেট : ২৭ মে ২০২৩, ০৩:৪৫ পিএম

পঞ্চগড়ে মালিকদের সিন্ডিকেট আর কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতায় চায়ের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না সমতলের চা চাষিরা। তারা জানান, দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখলেও নিজেরা লাভবান হচ্ছেন না। যে কারণে অনেকেই চা-বাগান কেটে অন্য চাষে ঝুঁকছেন। 

তবে, ফ্যাক্টরির মালিকরা এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, পাতার মান ভালো না থাকায় এই সমস্যা হচ্ছে। গ্রিন অর্থনীতি শিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য চাষিদের ভালো মানের পাতা (দু’টি কুঁড়ি একটি পাতা) উৎপাদনপূর্বক কারখানায় সরবরাহ করতে হবে।

সমতল ভূমিতে চা শিল্প বিপ্লবে বদলে গেছে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়। সিলেটের পরেই চায়ের ভূমি হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে হিমালয়ের কোলের এই জেলা। ২০০১ সালের দিকে চা চাষের বিপুল সম্ভাবনা দেখা দিলে পঞ্চগড় জেলায় ক্ষুদ্র পর্যায়ে সমতলে সবুজ চা চাষ করা শুরু হয়। 

তবে চাষিদের অভিযোগ, কয়েক বছরের তুলনায় উৎপাদন খরচ তিন গুণ বাড়লেও চায়ের পাতার ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না তারা। প্রতি কেজি কাঁচা চা পাতার দর ১৮ টাকা নির্ধারণ করা হলেও কারখানার মালিকরা কিনছেন ১৩ থেকে ১৪ টাকা কেজি দরে। এই ক্ষোভে স্বপ্নের চা-বাগানের গাছ কেটে উপড়ে ফেলছেন অনেকে।

চাষিরা জানান, বছরে প্রতি মৌসুমে তারা ছয়-সাতটি রাউন্ডে বাগানের সবুজ কাঁচা চা-পাতা তুলে বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু এই চা-পাতা বিক্রি করার সময় প্রতিটি রাউন্ডে বাগান মালিকদের নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। 

কখনো কারখানায় কাঁচা পাতার নিম্ন হারে দাম নির্ধারণ আর কর্তনের কারণে বাগানের পাতা বিক্রি ও কারখানায় সরবরাহ দিয়ে চাষিদের হাতে কোনো টাকা থাকে না। বিশেষ করে চলতি মৌসুমের প্রথম ও শেষ রাউন্ডে বাগানের পাতা বিক্রির টাকা দিয়ে চাষিরা বাগান পরিচর্যার কাজও শেষ করতে পারেন না।

চা চাষিরা বলছেন, চা শিল্পকে ধ্বংস করতে কারখানা মালিকরা ষড়যন্ত্র করছেন। প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাইলেও প্রতিশ্রুতি ছাড়া কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েক বছর ধরে সবুজ কাঁচা পাতার মূল্য নির্ধারণ নিয়ে আন্দোলন প্রতিবাদ করার পরও চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না।

আরও পড়ুন: হারভেস্টারে ভুট্টা সংগ্রহে বেশি লাভ, খুশি কৃষক

জেলা প্রশাসন টাস্ক ফোর্স গঠনের পাশাপাশি মনিটরিং টিম গঠন করলেও দু’একটি কারখানায় নামমাত্র জরিমানা করা ছাড়া কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। তবে, কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, চা পাতার মান বুঝেই দাম দিচ্ছেন তারা।

কারখানায় সরবরাহকৃত সবুজ পাতা দ্বারা ভালো মানের চা প্রস্তুত করে বেশি দামে নিলামে বিক্রয় করা যায়। তখন চাষিরাও সবুজ পাতার ভালো দাম পায়। আগামী জুন মাসে পঞ্চগড়ে চা নিলাম কেন্দ্রের কার্যক্রম চালু হলে উত্তরাঞ্চলের চা শিল্পের মান আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।

পঞ্চগড় জেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে চা চাষ করা হয়েছে। এখানে ছোট বড় মিলে বাগান গড়ে উঠেছে প্রায় আট হাজার।


একাত্তর/এসজে 

রংপুরের বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর চার খুনের ঘটনাটি তাৎক্ষণিক বা মাদকের জেরে কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড। রংপুর জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর...
দালাল চক্রের মাধ্যমে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে পঞ্চগড় সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করা দুই দম্পতিসহ চার রোহিঙ্গাকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার সাতমেরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে আখ চুরি করার সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন ভারতীয় এক নাগরিক। পরে তাকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মাধ্যমে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা...
পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা সীমান্তে গরু খুঁজতে গিয়ে মো. তমিজ উদ্দীন (৭৮) নামের এক বাংলাদেশি বৃদ্ধকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ধরে নিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এরই জেরে শনিবার (৮ আগস্ট)...
ঢাকার সবুজবাগ থানাধীন নন্দীপাড়া বড় মসজিদ এলাকা থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে স্বামীকে হত্যার কথা জানিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন রেহেনা আক্তার (৪০) নামে এক নারী।
চীন সীমান্ত সংলগ্ন রাসুওয়াগাধির ৮৪ কিলোমিটার দক্ষিণে গালছির 'জেহ্রে' জলবিদ্যুৎ সাবস্টেশনটি এখন গত ২৬ আগস্টের প্রলয়ঙ্করী বন্যার তাণ্ডবের এক ভয়াবহ সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রিশূলী নদীর কোল ঘেঁষে...
গেলো ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮৬ জনে। 
হিমালয় ধসের ফলে নেপালে ঘটে যাওয়া প্রলয়ঙ্করী আকস্মিক বন্যায় যেখানে ১,২৫০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ, সেখানে চরম সহনশীলতা ও বেঁচে থাকার এক মানবিক প্রতীক হয়ে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর