কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বাড়ির সীমানা বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইতালিয় নারী নাগরিকের উপর হামলা চালানো অভিযোগ উঠেছে। অপরদিকে উল্টো চেয়ারম্যানকে ওই নারী হামলা চালিয়ে আহত করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান।
সাবেক চেয়ারম্যান ও ইতালি নারী নাগরিক সম্পর্কে চাচা ভাতিজি। এ ঘটনায় থানায় পৃথক পৃথক অভিযোগ দাখিল করেছেন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের বীর কাসিমনগর গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহ মাহবুবুর রহমানের সাথে ভাতিজা শাহ ফজলে রাব্বির বাড়ির সীমানা ও আধিপত্য নিয়ে বিরোধ ছিল। কিছুদিন আগে শাহ ফজলে রাব্বির বোন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ইতালিয় নাগরিক শাহ জেব-উন নাহার বাবার বাড়িতে এলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
এ বিরোধের জেরে গত ২৩ মে দুপুরে বাড়ির পাশেই মোহাম্মদীয়া পোল্ট্রি ফার্মের সামনের সড়কে মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এই মারামারি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। ইতালিয় সেই নাগরিক ও তার পরিবারের অভিযোগ বাবার কবর জিয়ারত করতে যাওয়ার পথে চাচা শাহ মাহবুবুর রহমান ও তার ছেলে শাহ মাহবুবুর রহমান অভি হামলা চালিয়েছে। এতে তিনি পেটসহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখমপ্রাপ্ত হয়েছেন। স্থানীয় হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন। চেয়ারম্যান প্রভাবশালী থাকায় তাদের যাতায়াতের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
.jpg)
অপরদিকে চেয়ারম্যান শাহ মাহবুবুর রহমান দাবি করেছেন, ভাতিজী হয়েও জেব-উন নাহার তার উপর হামলা চালিয়ে তার মাড়িতে গুরুতর জখম করেছেন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। সুষ্টু তদন্ত সাপেক্ষের ঘটনার বিচার দাবি করেছেন তিনি।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ইতালি নাগরিক শাহ জেব-উন নাহার প্রথমে চাচা শাহ মাহবুবুর রহমানের উপর হামলা চালিয়েছে। পরে স্থানীয়রা চাচা ভাতিজিকে শান্ত করেছেন। এ নিয়ে দুপক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে কুলিয়ারচর থানায় গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মস্তুফা জানিয়েছেন, চাচা ভাতিজির মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছে। দুপক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
একাত্তর/এআর
