দাবদাহ বাড়ার কারণে ভয়াবহ ঝুঁকিতে মধ্যপ্রাচ্য

আপডেট : ০৭ জুন ২০২৩, ০৫:৩৫ পিএম

দাবদাহ বাড়তে থাকলে চলতি শতক শেষে শুধু ইরাকেই মারা যেতে পারে ১ লাখ ৩৮ হাজারের মতো মানুষ। তীব্র দাবদাহের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে মৃত্যুহার অনেক বাড়বে। বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল নেচার সাসটেইনেবিলিটির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন ভয়াবহ বিপর্যয়ের খবর। 

আগামী কয়েক দশকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ব্যাপক হারে বাড়ার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কী অবস্থা হতে পারে তা নিয়ে একটা সমীক্ষা প্রকাশ করেছে ল্যানসেট। এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে দাবদাহজনিত রোগে ভুগে প্রতি এক হাজারে দুজনের মৃত্যু হয়। 

এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১২৩। ল্যানসেটের চালানো একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সাল নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যের ৭০ শতাংশের মতো মানুষ বড় বড় শহরে বসবাস শুরু করবে। এর প্রভাবে শহরাঞ্চলে তাপমাত্রা অনেক বাড়বে। ফলে তাপদাহজনিত কারণে মৃত্যুও বাড়বে। 

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক। দেশটিতে কখনো কখনো তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১২২ ডিগ্রি ফারেনহাইট) ছাড়িয়ে যায়। এই পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলেই আশংকা জানাচ্ছে গবেষকরা। তারা বলছেন, দাবদাহ বাড়লে মৃত্যু বেশি বাড়বে বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে। 

গেলো মে মাসে বিজ্ঞানবিষয়ক জার্নাল নেচার সাসটেইনেবিলিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ শতাংশের চেয়ে বেড়ে গিয়ে ভয়াবহ একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। আর এতে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বে মধ্যপ্রাচ্য। 

আরও পড়ুন: ধর্ষণের সংজ্ঞা পাল্টাচ্ছে জাপান

জাতিসংঘের চিফ হিট অফিসার অ্যালেনি মিরিভিলি বলেন, আবহাওয়ার কারণে বিপর্যয়গুলোর মধ্যে চরম তাপমাত্রা সবচেয়ে বিপদের কারণ হয়ে উঠছে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে এই বিষয়ে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অথচ তাপমাত্রার বাড়ার কারণে প্রকৃতিও এখন বিরূপ আচরণ করছে।

ল্যানসেটের সমীক্ষা বলছে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার আশানুরূপ কমবে না। দাবদাহের কারণে মৃত্যুর ৮০ শতাংশই ঘটতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয়। তাই বড় বিপর্যয় এড়াতে হলে সবার আগে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সীমিত রাখার বিকল্প নেই।


একাত্তর/এসজে

কয়েক সপ্তাহের আপেক্ষিক বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত আবার ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মঙ্গল ও বুধবার মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে দুই দেশের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় পরিস্থিতি চরম...
ইরানের সাথে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের পূর্বে এবং যুদ্ধকালীন সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সরিয়ে নেয়া মার্কিন কূটনীতিকদের পুনরায় নিজ নিজ দূতাবাসে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাত ছয় মাসে পদার্পণ করার মুখে দুই পক্ষের তীব্র হুমকি-পাল্টা হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রণক্ষেত্রে সরাসরি গোলাগুলি সাময়িক...
আঞ্চলিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, সীমান্ত নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এক উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধি দল নিয়ে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে পৌঁছেছেন...
জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যমকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার দুপুরে, রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয়...
প্রকৃত মালিকের অজান্তে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ভাড়ায় চালিত একটি মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে তা বেচে দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে আত্মসাৎ করা গাড়িটি...
রাজধানী ঢাকার অত্যন্ত ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ধউর-আশুলিয়া সড়কের যানজট নিরসন এবং দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের গতি বাড়াতে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায়...
ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তঃনগর ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ট্রেনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পাকশী রেলওয়ে পুলিশ লাইনে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর