মধ্যপ্রাচ্যে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মার্কিন কূটনীতিকরা!

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম

ইরানের সাথে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের পূর্বে এবং যুদ্ধকালীন সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সরিয়ে নেয়া মার্কিন কূটনীতিকদের পুনরায় নিজ নিজ দূতাবাসে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। এরিমধ্যে ফেরার প্রস্তুতি শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকরা।

মঙ্গলবার মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনের বরাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অভ্যন্তরীণ একটি গোপন নথির ওপর ভিত্তি করে তারা এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলোতে জরুরি বিধিনিষেধ শিথিল এবং কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনার এই প্রক্রিয়া চলতি সপ্তাহ থেকেই শুরু হতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বর্তমানে বিশ্বজুড়ে তাদের কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়মিত পর্যালোচনা করছে।

এক বিবৃতিতে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়, সাম্প্রতিক নিরাপত্তা মূল্যায়নের ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের নির্দিষ্ট কিছু পোস্টে কর্মী সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে কর্মীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাওয়া যায়।

যেসব দূতাবাসে কূটনীতিকদের ফিরিয়ে পূর্ণাঙ্গ বা আংশিক কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা আছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসরাইল, লেবানন, সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান, ওমান, ইরাক এবং কুয়েত।

প্রথম ধাপে লেবাননে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে সর্বপ্রথম কূটনীতিকদের পাঠানো হবে, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে সেখানে পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ শুরু হবে না। পরবর্তীতে ইসরাইল, জর্ডান এবং ওমানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলোতে ১০০ শতাংশ কর্মীবাহিনী ফিরিয়ে আনা হবে।

এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার এবং লেবাননের দূতাবাসগুলোতে প্রাথমিকভাবে ৮৫ শতাংশ কর্মী পুনর্বাসিত হবেন। অন্যদিকে ইরাক, কুয়েত এবং বাহরাইনের মিশনগুলোতে সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ কর্মী দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সাথে সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্য ও ইসরাইল থেকে জরুরি নয় এমন কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ঐচ্ছিক প্রস্থানে সায় দিয়েছিল ওয়াশিংটন। পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এখন আবারও সেখানে পুরোদমে কূটনৈতিক তৎপরতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স

একাত্তর/এআরএস
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাত ছয় মাসে পদার্পণ করার মুখে দুই পক্ষের তীব্র হুমকি-পাল্টা হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রণক্ষেত্রে সরাসরি গোলাগুলি সাময়িক...
আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন কিংবা স্থানীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হাজার হাজার ন্যাশনাল গার্ড সদস্য মোতায়েন করেছেন। তবে এক বিশেষ অনুসন্ধানে দেখা...
আঞ্চলিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, সীমান্ত নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এক উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধি দল নিয়ে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে পৌঁছেছেন...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে মাঠে ও কূটনীতির ময়দানে চূড়ান্ত জয় ছিনিয়ে আনার দাবি তুলে ঐতিহাসিক ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারককে জাতীয় মর্যাদা ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ইরানের...
গণতন্ত্র বিশ্বাস করাটা একটি মানসিকতার বিষয় উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর দিক থেকে মিডিয়ার স্বাধীনতা বন্ধ করে দেওয়া বা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার...
দেশের ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য বিনা খরচে জাপানি ভাষা শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানের কর্মসংস্থানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন...
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের টানা ছয় মাসের যুদ্ধে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের মূল ধমনী 'হরমুজ প্রণালী' সবচেয়ে ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই তেল ও গ্যাস সরবরাহ পথটিতে...
‘ঘর ভাঙা আছিল, পলিথিন দিয়া রাখতাম। ঘরের ভাঙা দিয়া পানি পড়ত। আমরা আগে অনেক কষ্টে আছিলাম। এখন আমারারে একটা ঘর দিল কায়সার বাবা। আমরা এখন খুশি। এখন শান্তিতে থাকবাম।’
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর