পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ২৫ জন নিহত

আপডেট : ১১ জুন ২০২৩, ১০:৫৮ এএম

প্রবল বর্ষণে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে এবং অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

শনিবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু, লাক্কি মারওয়াত এবং কারাক জেলায় ব্যাপক বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে বলে সিনিয়র উদ্ধার কর্মকর্তা খাতের আহমেদ জানিয়েছেন।

এছাড়াও উপড়ে পড়া গাছ বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিশন টাওয়ারের ওপর পড়ায় আরও ১৪৫ জন আহত হয়েছেন।

কর্মকর্তারা আহতদের জরুরি ত্রাণ প্রদানের জন্য কাজ করছেন বলে আহমেদ জানান।

গত মাসে, গ্রীষ্মে অস্বাভাবিক তুষারপাতের সময় তুষারধসে নারী ও শিশুসহ প্রায় এক ডজন লোক নিহত হয়।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ঝড়ের কারণে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং কর্তৃপক্ষকে ত্রাণ কার্যক্রমের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে, আরব সাগর থেকে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় এগিয়ে আসার সাথে সাথে শরীফ কর্মকর্তাদের জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

পাকিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এজেন্সি জানিয়েছে, ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাসের গতিবেগসহ "গুরুতর এবং তীব্র" ঘূর্ণিঝড়টি দেশের দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হচ্ছে। 

গত বছর পাকিস্তানে অতিবৃষ্টির কারণে ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। এতে ৬৪৭ শিশুসহ কমপক্ষে এক হাজার ৭৩৯ জনের মৃত্যু হয় এবং প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

আরও পড়ুন: কাজাখস্তানে বজ্রপাত থেকে দাবানল, ১৪ জন নিহত

প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব প্রশমিত করার জন্য, দেশটির সরকার শুক্রবার উপস্থাপিত জাতীয় বাজেটের খসড়ায় জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার জন্য এক দশমিক তিন বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে।


একাত্তর/এসজে

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পঞ্চম দিনেও থামেনি উদ্ধার অভিযান। এবার ধ্বংসস্তূপ ও কাদায় আটকে থাকা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে পৌঁছাতে ড্রিলিং শুরু করেছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫০ জনে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজার ৪৪ জন। রোববার দুর্যোগের পর পঞ্চম দিনে এসেও থামেনি উদ্ধার অভিযান, মিলছে মরদেহ।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের চারদিন পরও প্রায় তিন হাজার মানুষের সন্ধান মেলেনি। বুধবার হিমালয় অঞ্চলে বরফ, কাদা, পানি ও ধ্বংসাবশেষের সুনামির মতো স্রোতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে...
নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন শত শত মানুষ। তাদের মধ্যে অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারী রয়েছেন।
মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সালাউদ্দিন গাজী নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, এ দেশে যারা বসবাস করেন তারা সবাই এবং সব ধর্মের...
ছয় দফা দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
দেশের সব ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে, নির্ভয়ে ও শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করছেন বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর