ইউনূসের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে সই করবেন না ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান
নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:০১ পিএমআপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:০১ পিএম
সংগৃহীত ইমেজ
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা শান্তিতে নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে সই করবেন না বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া।
সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এমরান আহম্মদ বলেন, ‘অধ্যাপক ড. ইউনূসের পক্ষে ১৬০ জনের বেশি নোবেল বিজয়ী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অনেকেই বিবৃতি দিয়েছেন যে-ওনাকে বিচারিক হয়রানি করা হচ্ছে। সেটার বিপরীতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি দেওয়ার কথা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘নোটিশ দেয়া হয়েছে, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে কর্মরত সবাইকে সেই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করার জন্য। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই বিবৃতিতে আমি স্বাক্ষর করব না।’
কেন সই করবেন না- জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল ইসরায়েলের যে আইন সংস্কার হচ্ছে; বিচার সম্পর্কিত, তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, এটা আমার নিজস্ব চিন্তা। সে রকমই।’
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘যে বিবৃতি দিয়েছেন ১৬০ জন নোবেল বিজয়ী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, আমি ওনাদের বিবৃতির সঙ্গে একমত। অধ্যাপক ড. ইউনূস একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তার সম্মানহানি করা হচ্ছে এবং এটা বিচারিক হয়রানি।’
শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার জনের বিরুদ্ধে গত ৬ জুন অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার শ্রম আদালত। এই অভিযোগ বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন ইউনূস। আদালত তা আমলে না নেয়নি। ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান বিচার প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে খোলা চিঠি দেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৬০ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
এই খোলা চিঠির সমালোচনা করছে দেশের বিভিন্ন মহল। সরকারের মন্ত্রীরাও বলেছেন, এভাবে চিঠি দিয়ে বিচার ‘বন্ধ’ করতে বলা অনুচিত। ওই খোলা চিঠির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংগঠন বিবৃতিও দিয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মুছে ফেলাসহ দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাধা ও হুমকি রোধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
দেশের সাধারণ মানুষের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা নিশ্চিত করা, খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং গরুর মাংসের খুচরা বাজারমূল্য প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামিয়ে আনতে জীবিত গরু ও প্যাকেটজাত হালাল মাংস আমদানির...
একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ নিতে পারবেন না—সরকারের এই নীতিমালার ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থা স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে ২০২৬ সালের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী একই...
বিয়ের সময় বকেয়া রাখা দেনমোহর পরবর্তীতে স্ত্রী দাবি করা মাত্রই তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করতে স্বামীকে নির্দেশ দিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। ফলে দেনমোহর আদায়ের জন্য স্ত্রীকে আর বিয়েবিচ্ছেদ কিংবা...
বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সম্প্রসারণ কাজ পর্যালোচনা এবং প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনসহ দিনব্যাপী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার দেশের...
ইউনূসের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে সই করবেন না ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা শান্তিতে নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে সই করবেন না বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া।
সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এমরান আহম্মদ বলেন, ‘অধ্যাপক ড. ইউনূসের পক্ষে ১৬০ জনের বেশি নোবেল বিজয়ী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অনেকেই বিবৃতি দিয়েছেন যে-ওনাকে বিচারিক হয়রানি করা হচ্ছে। সেটার বিপরীতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি দেওয়ার কথা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘নোটিশ দেয়া হয়েছে, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে কর্মরত সবাইকে সেই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করার জন্য। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই বিবৃতিতে আমি স্বাক্ষর করব না।’
কেন সই করবেন না- জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল ইসরায়েলের যে আইন সংস্কার হচ্ছে; বিচার সম্পর্কিত, তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, এটা আমার নিজস্ব চিন্তা। সে রকমই।’
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘যে বিবৃতি দিয়েছেন ১৬০ জন নোবেল বিজয়ী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, আমি ওনাদের বিবৃতির সঙ্গে একমত। অধ্যাপক ড. ইউনূস একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তার সম্মানহানি করা হচ্ছে এবং এটা বিচারিক হয়রানি।’
শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার জনের বিরুদ্ধে গত ৬ জুন অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার শ্রম আদালত। এই অভিযোগ বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন ইউনূস। আদালত তা আমলে না নেয়নি। ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান বিচার প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে খোলা চিঠি দেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৬০ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
এই খোলা চিঠির সমালোচনা করছে দেশের বিভিন্ন মহল। সরকারের মন্ত্রীরাও বলেছেন, এভাবে চিঠি দিয়ে বিচার ‘বন্ধ’ করতে বলা অনুচিত। ওই খোলা চিঠির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংগঠন বিবৃতিও দিয়েছে।
বিষয়: