গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ফেরদৌসের পায়ের রগ কেটে হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এপিবিএনের গোয়েন্দারা।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, বুধবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর অবতরণ করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার যুবকের নাম রবিন সরদার। তিনি শরীয়তপুর জেলার গোসাইর হাট থানার মোল্লাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তবে বর্তমানে তিনি গাজীপুর সদর থানা জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় ভাড়ায় থাকতেন। রবিনও ওই কলেজের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
নির্যাতনের শিকার যুবকের নাম মো. ফেরদৌস। তিনি ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত তিন সেপ্টেম্বর বিকেলে চারটার দিকে বাসন থানার আউটপাড়া লিংকন কলেজের সামনে থেকে ফেরদৌসকে অপহরণ করে রবিন। এ সময় তার সঙ্গে আরও যুবক ছিল। অপহরণের পর তারা ফেরদৌসের পায়ের রগ কেটে দেওয়াসহ মারপিট করা হয়। এসময় ফেরদৌসের মায়ের কাছে মুক্তিপণও দাবি করা হয়। মুক্তিপণ নেওয়ার পর ফেরদৌসকে গাজীপুর সদর থানাধীন শিববাড়ি মোড়ের হলিল্যাব হাসপাতালের সামনে ফেলে রেখে যায়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, এ ঘটনায় ফেরদৌসের মা বাদি হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে চার সেপ্টেম্বর থানায় মামলা করেন। এরপর থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছিলো গাজীপুর মহানগর পুলিশের একাধিক দল।
তিনি জানান, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গোপনে জানতে পারে রবিন ভিন্ন নামে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারে। আগে থেকে প্রস্তুত সাদা পোষাকের এপিবিএন সদস্যরা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে গাজীপুর মহানগর পুলিশের একটি টিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কক্সবাজারে রিসোর্ট থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার