পদ্মার পানি বাড়ায় গত ১৫ দিনের নদীভাঙনে পদ্মায় বিলীন হয়েছে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, পাকা সড়কসহ বহু স্থাপনা। ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদী তীরবর্তী মানুষ।
এ বছর ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পদ্মায় প্রথম ভাঙন শুরু হয়। পরে নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তীব্র হয় ভাঙনও। অব্যাহত ভাঙনে অনেকের মাথা গোঁজার ঠাই বিলীন হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আশ্রয় নিয়েছেন অন্যের বাড়ি কিংবা উঁচু স্থানে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অনেকেই ছেড়েছেন গ্রাম।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ২৪ ঘণ্টায় ১২ মৃত্যু
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা কোন ত্রাণ সহায়তা চান না। তাদের দাবি শুধু বাপ-দাদার ভিটা বাঁচাতে ভাঙন ঠেকানো।
কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ উদ্দিন গাজী জানান, পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে ইউনিয়নের ১৩টি মৌজার ১২টিই এখন নদীতে বিলীন। বর্ষার শুরুতেই এবার কুশিয়ারচর এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে এলাকা রক্ষা করা যাবে না। তিনি পদ্মার ভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।
মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন জানান, ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আড়াইশ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। বাকি অংশেও কাজ করা প্রয়োজন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
একাত্তর/এসজে
