রাজধানীতে এক গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা করেছেন তার স্বামী। হত্যার পর তিনি স্ত্রীর লাশের পাশেই শুয়ে ছিলেন। পরে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
রোববার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সবুজবাগ থানার পূর্ব রাজাবাজার এলাকা থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নারীর নাম কানিজ ফাতেমা (৪২)। তিনি কুমিল্লার বাংগড়া উপজেলার মোসলে উদ্দিনের মেয়ে। কানিজ ঢাকায় স্বামীর সঙ্গে থাকতেন। আটক স্বামীর নাম আলামিন।
নিহতের ছোট ভাই মনিরুজ্জামান জানান, ভাগনে ফোন করে জানায় তাদের রুম বাহির থেকে বন্ধ করা। খবর পেয়ে ভগ্নিপতির বাসায় গিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। কিন্তু বোন ও ভগ্নিপতির দরজার ভেতর থেকে বন্ধ করা ছিল। অনেক ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকা হয়। গিয়ে দেখা যায়, বোন বিছানায় কাঁথা মোড়ানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পাশে ভগ্নিপতি আলামিন শুয়ে আছেন।
তিনি আরও জানান, কিছু দিন আগে তারা ওমরা হজ করে দেশে আসেন। তখন থেকে ফাতেমা বাবারবাড়ি বাসাবো কদমতলায় থাকছিলেন। তাদের মধ্যে কলহ ছিল। ভগ্নিপতি ফাতেমা সন্দেহ করতেন। কয়েকদিন আগে সে স্বামীর বাসায় আসে।
তার দাবি, গত রাত থেকে সকাল ৯টার কোনো এক সময় ফাতেমাকে হত্যা করা হয়েছে। পরে আলামিনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুবিনা আউয়াল জানান, ওই নারীর গলার নিচে কয়েকটি কাটা চিহ্ন ও ছিদ্র রয়েছে। এছাড়া শরীরে আঁচড়ের চিহ্নও পাওয়া গেছে। মরদেহ ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়েছে।
দারুসসালামে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা