খাগড়াছড়ির পানছড়িতে প্রতিপক্ষের হামলায় ইউপিডিএফের (প্রসীত গ্রুপের) চার নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিন জনকে অপহরণের অভিযোগও করেছে সংগঠনটি।
সোমবার রাত ১০টার দিকে পুজগাং এর অনিলপাড়ায় একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার ১৫ ঘণ্টা পরও ঘটনাস্থলে পৌঁছেনি পুলিশ।
নিহতের মধ্যে রয়েছেন, ইউপিডিএফ সমর্থিত গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল চাকমা (২৮), জেলা সহ-সভাপতি লিটন চাকমা (২৯), পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সুনীল ত্রিপুরা (২৬) ও ইউপিডিএফের সদস্য রুহিনসা ত্রিপুরা।
নিখোঁজ রয়ৈছেন- ইউপিডিএফ নেতা হরি কমল ত্রিপুরা, মিলন ত্রিপুরাও নীতি দত্ত চাকমা।
স্থানীয়রা জানান, ২০/২৫ জনের একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আকস্মিক এসে বাড়িটি ঘেরাও করে। এসময় বাড়িতে অবস্থান নেযা নেতাকর্মীরা পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে তাদেরকে গুলি হত্যা করা হয়।
ইউপিডিএফ জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা জানান, মঙ্গলবার এলাকায় যুব সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। সেজন্যই তারা সেখানে অবস্থান করছিলেন। মদদপুষ্ট নব্যমুখোশধারী গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ এর সন্ত্রাসীরা এই ঘটনা ঘটেয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধরা জানান, রাতে ওই গ্রামে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। এমন ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর থেকে বারবার চেষ্টা করেও পুলিশ সুপার মুক্তা ধর ও পানছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ সফিউল আজমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ফেরি চলাচল শুরু