নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের হাশেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মরদেহগুলো জায়গায় সংকুলান না হওয়ায় কয়েকভাগে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি মরদেহ পাঠানো হয়েছে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ৮টি রাখা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ইমারজেন্সিতে। বাকি ২৫টি মরদেহ থাকছে ঢামেক মর্গে।
সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ফরেনসিক) মুস্তাফিজুর মুনির শনিবার (১০ জুলাই) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: লাশ পেতে চলতি মাস অপেক্ষা করতে হবে স্বজনদের
উদ্ধারের পর গতকাল শুক্রবার (৯ জুলাই) লাশগুলো রাখা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামীম বেপারী জানিয়েছেন, মরদেহ শনাক্তের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা দিতে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে আসতে হবে স্বজনদের। তিনি বলেছেন, মৃতদেহগুলো এমনভাবে পুড়ে গেছে যে পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। আমাদের পক্ষ থেকে স্বজনদের ডিএনএ নমুনা দেয়ার জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে আসতে বলা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন, সবগুলো মরদেহ ফ্রিজিং করা হবে। পরিচয় মিললে সেগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরও পড়ুন: ৬ তলায় ছাই চাপা আগুন, অভিযান চলছে
গত বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকেলে রূপগঞ্জের হাসেম ফুডস লিমিটেড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই আগুনের ঘটনায় প্রথম দিন তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত হন অর্ধশত শ্রমিক। ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের ১৮টি ইউনিট ২০ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর গতকাল শুক্রবার ওই ভবনের চারতলা থেকে ২৬ নারীসহ ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করে। সব মিলিয়ে ৫২টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
একাত্তর/আরএ
