অসাধু বীজ ব্যবসায়ীদের প্রতারণায় জয়পুরহাটে নিম্নমানের আলুর বীজ রোপণ করে বিপাকে পড়েছেন কয়েকশ' কৃষক। এসব বীজ রোপণের পর গাছ হয়েই পচে গেছে। ফলে নতুন করে আবারও রোপণ করতে হয়েছে আলু বীজ। এতে আলু চাষের খরচ বেড়ে গেছে অনেক। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিপূরণ ও অসাধু বীজ ব্যবসায়ীদের শাস্তি দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।
কিছুদিন আগে সারাদেশে হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক বেড়ে যায় আলুর দাম। এতে চলতি মৌসুমে আলু চাষে আগ্রহ বাড়ে কৃষকদের, জয়পুরহাটেও বাড়তি জমিতে হয়েছে আলু চাষ।
কিন্তু বেশি আলু চাষের এই আগ্রহই অনেক কৃষকের সর্বনাশ ডেকে এনেছে। অসাধু বীজ ব্যবসায়ীদের খপ্পরে পড়ে তারা রোপণ করেছিলেন নিম্নমানের বীজ। এতে রোপণের পরেই পচে যায় বীজ, কোন কোন ক্ষেত্রে চারা গজানোর পর পচে যায় গাছ।
অসাধু ব্যবসায়ীদের এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন জেলার কয়েকশ' কৃষক। তারা নতুন করে আবার বীজ সংগ্রহ করে আলু চাষ করতে গিয়ে বাড়তি খরচ আর লোকসানের মুখে পড়েছেন। এই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা চাইছেন ক্ষতিপূরণ।
অবশ্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন জেলার কৃষি কর্মকর্তা। তিনি বলেন, যে কোম্পানির বীজ কিনে এমন অবস্থা হয়েছে তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে।
জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এরপরও যদি নতুন করে অভিযোগ পাই, তা তদন্ত সাপেক্ষে কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হলে আইনের আওতায় আনা হবে।
এবার জয়পুরহাট জেলায় ৩৮ হাজার ৮১৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে। এরই মধ্যেই ৯৬ ভাগ জমিতেই আলু রোপণ হয়ে গেছে।
গানে গানে গামছায় ভোট চাইলেন নকুল কুমার
এক চতুর্থাংশ ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ