নোয়াখালীতে তরুণদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরও চার জন। তাদের মধ্যে দুই জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি এবং অন্য দুই জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, তরুণদের মধ্যে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে এ ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাধেরহাট পূর্ব বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণের নাম সৌরভ হোসেন ওরফে সাজ্জাদ (২০)। সে নোয়ান্নই ইউনিয়নের তিন নম্বর রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আহাম্মদ মুন্সীবাড়ির সবুজের ছেলে।
গুরুতর আহতরা হলেন, রতনপুর গ্রামের নাজিম উদ্দিন (১৮), রাকিব (২৪), রিয়াজ (২২) ও একই গ্রামের রাকিব (২৫)।
স্থানীয়রা জানান, নোয়ান্নই ইউনিয়নের রতনপুরসহ আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। দুপুরে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় সৌরভসহ পাঁচ জন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক সৌরভকে মৃত ঘোষণা করেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রাকিব ও রিয়াজকে ঢাকায় পাঠান।
তাদের আরও অভিযোগ, সংঘর্ষে জড়ানো দুই গ্রুপই স্থানীয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম বাবুর অনুসারী। তারা দীর্ঘদিন ধরে সদর পশ্চিমাঞ্চলে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আশরাফুল করিম বাবুর মুঠোফোনে কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঝিনাইদহে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত