শেখ হাসিনা দেশকে ভারত ও মিয়ানমারের ক্রসফায়ারে ফেলেছেন মন্তব্য করেছে বিএনপি নেতারা বলেছেন, দুই দেশের সীমান্তেই দেশের মানুষকে গুলি করে, মর্টার শেল ছুড়ে হত্যা করা হচ্ছে। এরপরও সরকার ও বিজিবি চুপ করে আছে।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিএনপি নেতারা এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, সঞ্চালনা করেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী।
এসময় শুধু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নয়, সব ধর্ষণে ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করে বিএনপি নেতারা। তাদের দাবি, অতীত, বর্তমানে ঘটে যাওয়া সব ধর্ষণের সঙ্গেই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ জড়িত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর বলেন, আজ বাংলাদেশ ধর্ষিত, আজ দেশের স্বাধীনতা ধর্ষিত, আজ দেশের সার্বভৌমত্ব ধর্ষিত। আমি বলতে চাই, আর নয় প্রতিবাদ, এখন থেকে প্রতিশোধ, এখন থেকে প্রতিরোধ।
তিনি বলেন, আজকে সব পেশার মানুষ এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। শত নির্যাতনের মধ্যেও তারা প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলেনি। এটাই আমাদের ভরসা। এটা দেখে আমরা আশাবাদী, আমরা শেষ সংগ্রাম করতে পারবো।
সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, আজকের এই মানববন্ধন প্রতিবাদের মানববন্ধন নয়, এটা হলো প্রতিরোধের মানববন্ধন। আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব। কিছুদিন আগে আমি, ডামি দিয়ে ভুয়া নির্বাচন করে একটা অবৈধ সরকার জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। তাদেরই সোনার ছেলেরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন নারীকে ধর্ষণ করেছে। শুধু একজন নারী নয়, এদের কীর্তিকাহিনি অনেক। এই সোনার ছেলেদের হাতে তারা লাঠি তুলে দিয়েছে, এই সোনার ছেলেদের হাতে তারা হাতুড়ি তুলে দিয়েছে, এই সোনার ছেলেদের মাথায় হেলমেট পরিয়ে তাদের দিয়ে সাধারণ মানুষের ওপরে অত্যাচার-নির্যাতন করে। আজকে তারা সোনায় সোহাগা হয়ে একের পর এক অপকর্ম করছে।
বিএনপি নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিএনপি ও তাদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনরত ৬৭টি দল এখন আরও ঐক্যবদ্ধ।
এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মোহাম্মদ শাজাহান, সাবেক সংসদ সদস্য নীলুফার চৌধুরী মনি প্রমুখ।
এখন কে ক্ষমতায় বসাবে, বিএনপিকে কাদের