জান্তাবিরোধী লড়াইয়ে যেভাবে সফলতা পাচ্ছে বিদ্রোহীরা

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৩৮ পিএম

দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে প্রাণ বাঁচাতে দলে-দলে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ছে মিয়ানমার সেনা ও বিজিপি সদস্যরা। প্রতিদিনই এভাবে দেশটির সেনা থেকে শুরু করে সরকারি কর্তা আশ্রয় নিচ্ছে প্রতিবেশি দেশ বাংলাদেশে। অস্ত্র জমা রাখছেন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে। এসব মানুষের জায়গা হচ্ছে ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজিবি ক্যাম্পে। তাদের অবস্থা এখন ঢাল নেই তলোয়ার নেই নীধিরাম সর্দারের মতো। 

আর এসব দৃশ্য দেখলেই অন্তত এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী যে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে উঠেছে, তা ঐতিহাসিক। জান্তা শাসকদের নেপথ্যে বড় ভূমিকা রাখছে দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহীরা। আর বলা হচ্ছে, মিয়ানমারে কর্তৃত্ববাদ বিরোধী যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে তা সফল।

দেশটিতে আগের গণতন্ত্র আন্দোলনের থেকেও বর্তমান চলমান প্রতিরোধ আরও ভয়ঙ্কর ও তীব্র। যে কোন এই প্রতিরোধ রূপ নিতে পারে জাতীয় অভ্যুত্থানে। এটি শুধুমাত্র কিছুসংখ্যক বিদ্রোহী নয়, বরং সবগুলো বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও ভিন্নমতবাদ শ্রেণীতে ছড়িয়ে পড়েছে, যারা জান্তা উৎখাতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত। আর এটিই বিদ্রোহীদের মনোবলকে চাঙ্গা রাখছে। সে কারণেই কোন প্রকার কাঠামোগত বাধা এবং কোন আন্তর্জাতিক সমর্থন ছাড়াই সফল হচ্ছে বিদ্রোহীরা। 

বিভিন্ন সংস্থার বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, টানা দুই বছর ধরে ছোট ছোট সফলতা পাওয়ার পর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে অভিযান পরিচালনা শুরু করে বিদ্রোহীরা। যা এখন জান্তা সরকারের শাসনকে হুমকির মুখে ফেলেছে। 

গত অক্টোবর থেকে এখনও পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি জান্তা সেনা নিহত বা আটক হয়েছে। তাদের মধ্যে আছে ১০ জন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলও। ৩০টির বেশি শহর দখলে নিয়েছে প্রতিরোধ বাহিনী। সব মিলিয়ে অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত ত্রিশ হাজারের মতো সেনা হারিয়েছে জান্তা সরকার। যেখানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীতে সেনার সংখ্যা মাত্র দেড় লাখ।

পাশাপাশি সামরিক বাহিনী প্রতিদিনই পরাজয়ের মুখে পড়ছে। দখলকৃত ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ পেতেও ব্যর্থ হচ্ছে তারা। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা হারাচ্ছে জান্তা। বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা জান্তার বিরুদ্ধে জনগণকে আরও প্রতিবাদী করে তুলছে।

শুধু তাই নয়, ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের সময়ও দেশটির অনেক অঞ্চল দখলে নেয় বিদ্রোহীরা। যাদের বলা হতো জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠী। মূলত এই প্রতিরোধ আন্দোলনের নেপথ্যে মূল কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর জান্তা সরকারের অত্যাচার। সাধারণ মানুষ আর বিদ্রোহীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের আগুনই ঐতিহাসিক ভাঙনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমারকে।

এআরএস/আরবিএস
চীন সংলগ্ন উত্তর-পূর্ব মিয়ানমারের শান রাজ্যে একটি ভয়াবহ খনি বিস্ফোরণে শিশুসহ কমপক্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত এবং বহু মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গত রোববার দুপুরের দিকে শান রাজ্যের কাওং তাত...
বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যটির বিজেপি সরকার।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং শুক্রবার দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পর তিনি বেসামরিক পদে থেকে শাসন অব্যাহত রাখছেন।
মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত নির্বাচন দেশটির দীর্ঘদিনের সংকট উত্তরণে যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফেন ডুজারিক। 
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন,...
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেয়া ভাষণে কঠোর প্রত্যয় ও সার্বভৌমত্বের বার্তা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের দিনের বক্তব্যের কড়া...
অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘ঢাকা স্ট্রিম’-এ সাইবার হামলার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গণমাধ্যম সম্পাদকদের সংগঠন ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’। এই ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে...
জাতিসংঘে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর