বরিশালে আখের চাষ বাড়লেও গেলবারের তুলনায় কমেছে দাম। এছাড়া ঝড় জলোচ্ছ্বাসের কারণে আখঝাড় পড়ে যাওয়া এবং ইঁদুরের উপদ্রবে ফলন কমেছে। এতে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চাষিদের কপালে। অপরদিকে গুড় উৎপাদনকারীরাও দাম পাচ্ছেন কম।
বরিশালের বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলায় আখের চাষ হয় বেশি। মিশ্রমালা, মধুমালা ও ঈশ্বরদী-২০৮ জাতের আখ চাষ করেন এখানকার কৃষকরা। এবার আখের ফলন ভাল হলেও কাঙ্খিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ আশ্বিন মাসের বন্যায় জমিতে আখের ঝাড় পড়ে গেছে, আর সেই আখ কাটছে ইঁদুর।
বাবুগঞ্জ উপজেলায় উৎপাদিত আখের সিংহভাগ দিয়ে গুড় তৈরি হয়। হাতে তৈরি ভেজালমুক্ত এই গুড়ের অনেক সুনাম। এই গুড় বিদেশেও নিয়ে যান অনেক ক্রেতা। তবে বাজারে গতবছরের চেয়ে গুড়ের দাম এবার কেজিতে পঞ্চাশ থেকে ষাট টাকা কমে গেছে। গুড় কিনতে পাইকাররাও আসছেন কম। সবমিলিয়ে আখ চাষে লোকসানের শঙ্কায় আছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার উপায় নিয়ে তারা চাষিদের পরামর্শ দেন। এছাড়া গুড় উৎপাদনে সহায়ক জাতের আখ চাষের কথাও বলেন তারা।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, গতবছর বরিশাল জেলায় ৩৪৪ হেক্টের জমিতে আখের আবাদ হয়েছিল, এবারে আবাদ হয়েছে ৩৭০ হেক্টর জমিতে।
দুই মাসের জন্য ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা