প্রতি বছর ৩০ মার্চ ফিলিস্তিনিরা ১৯৭৬ সালের ৩০ মার্চের ঘটনা স্মরণ করে ভূমি দিবস বা ইয়োম আল-আর্দ পালন করে। সেদিন ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখলে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর গুলিতে ছয় জন নিহত এবং ১০০ জনের বেশি আহত হয়েছিলো। ফিলিস্তিনিদের কাছে এই দিনটির গুরুত্ব অনেক।
৪৮ তম ভূমি দিবস উপলক্ষ্যে, যুদ্ধ পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করেই শনিবার ইসরাইলের দখলদারত্বের বিরুদ্ধে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে ফিলিস্তিনে। এ সময় তারা ফিলিস্তিনি ভূমিদখল করে নেওয়ার হুমকি দেয়া কট্টর ডানপন্থি ইসরাইলি বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

ভূমি দিবস উপলক্ষে হাজার-হাজার ফিলিস্তিনি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও ইসরাইলের অভ্যন্তরে বিক্ষোভ করেছে। দিবসটি শুধু ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বসবাসরত জনগণই পালন করে না; বরং সারাবিশ্বে বসবাসরত ফিলিস্তিনিরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পালন করে আসছেন।
ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনে হামাস অঙ্গীকার করেছে, ইসরাইলকে এক ইঞ্চি ভূমিও জবরদখল করতে দেওয়া হবে না। সংগঠনটি আরও বলেছে, দখলদার ইসরাইলি সরকারের হাত থেকে পুরো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মুক্ত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এজন্য দরকার জাতীয় সংহতি ও পূর্ণাঙ্গ প্রতিরোধ।

ইসরাইলের অভ্যন্তরে এবং অধিকৃত অঞ্চল জুড়ে ফিলিস্তিনিরা এই দিনটিকে প্রতিবাদ ও শোক মিছিলের মাধ্যমে পালনের পাশাপাশি জলপাই গাছ লাগিয়ে জমির সাথে তাদের সংযোগ পুনঃনিশ্চিত করার জন্য উদযাপন করে। বিক্ষোভগুলো প্রায়শই ইসরাইল দ্বারা নিষ্ঠুর শক্তি প্রয়োগের মুখোমুখি হয়।
ইসরাইলের অভ্যন্তরে বসবাস করা ফিলিস্তিনিরা দেশটির ২০ শতাংশ জনগণ। এ ফিলিস্তিনিরা ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত ইসরাইলের সামরিক আইনের মধ্যে ছিলেন। তারা ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদের চেতনার কথা বলার জন্য কারফিউ ও গ্রেফতারসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি ভোগ করেছিলেন।
ইসরাইলকে বোমা ও যুদ্ধবিমান দিচ্ছে আমেরিকা!
শেষ হলো নেদারল্যান্ডসের জিম্মকাণ্ড, একজন আটক