বান্দরবানে ভ্রমণে না, চার নির্দেশনা

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩৩ পিএম

বান্দরবানের রুমায় যৌথ বাহিনীর অভিযান পরিচালনাকালে রুমা উপজেলার পর্যটন এলাকাসমূহে যেকোনো ধরনের পর্যটক ভ্রমণ নিরুৎসাহিৎ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে পর্যটন সংশ্লিষ্টদের চারটি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দিদারুল আলমের (রুটিন দায়িত্বে) সই করা এক পত্রে এ তথ্য জানা যায়।

স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়, যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনাকালে কোনো হোটেলে পর্যটকের রুম ভাড়া দেয়া যাবে না। কোনো পর্যটক পথ প্রদর্শকও পর্যটকদের কোনো পর্যটন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া যাবে না। কোনো পর্যটন কেন্দ্রের জিপ গাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে না এবং নৌ পথেও পর্যটকের কোনো পর্যটন কেন্দ্রে না নিয়ে যেতে বলা হয়েছে এই নির্দেশনায়।

আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (রুটিন দায়িত্বে) মো. দিদারুল আলম বলেন, জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সমন্বয় সংক্রান্ত কোর কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

এর আগে গত ২ এপ্রিল বান্দরবানের রুমা উপজেলার সোনালী ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সশস্ত্র সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর সশস্ত্র সদস্যরা ব্যাংকের নিয়োজিত গ্রাম পুলিশ ও ব্যারেকে থাকা আনসার সদস্যদের ১৪ টি অস্ত্র ও গুলি লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়াও ডাকাতির সময় ব্যাংক ম্যানেজার নেজামউদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় কেএনএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। পরে অভিযানে ব্যাংক ম্যানেজারকে উদ্ধার করা হয়। ওই সময় ব্যাংক সংলগ্নে অবস্থিত মসজিদে সশস্ত্র অবস্থায় প্রবেশ করে তারাবি নামাজ আদায়রত মুসল্লিদের জিম্মি করে মারধর করা হয়। 

পরদিন ৩ এপ্রিল দিন-দুপুরে উপজেলা থানচিতে কৃষি ও সোনালী ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় ১৭ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কেএনএফ এর সশস্ত্র সদস্যরা।

এ ঘটনায় রুমা ও থানচি থানায় একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। যৌথবাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নারীরসহ ৫৮ জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

আরবিএস
পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বছরে ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবির মুখে চরম নিরাপত্তাঙ্কায় চার দিন ধরে বান্দরবান–থানচি সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। চাঁদা না দিলে যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের অপহরণ এবং বাসে অগ্নিসংযোগের...
নতুন কোনো দুর্যোগ না হলে আগামী ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকে পর্যটকদের জন্য বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। 
টানা ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে বান্দরবান পার্বত্য জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র আগামী রোববার (১২ জুলাই) পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
ভারী বর্ষণে পাহাড়ধস ও সড়ক প্লাবিত হওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। 
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সব থেকে বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিডিয়া যদি...
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা শেষে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতেই পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সদ্য সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য...
নিজ নির্বাচনী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রকাশ্যে ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন ও মহড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দেশব্যাপী তোলপাড় ও সমালোচনার মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক...
সৌদি আরবে সম্প্রতি দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিক তথ্য আদান-প্রদানে মারাত্মক ঘাটতি থাকার কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর