রেকর্ড বৃষ্টিপাতের তৃতীয় দিনেও বিপর্যস্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বেশিরভাগ এলাকা পানির নিচে। আকস্মিক বন্যায় দুবাই শহরের স্থবিরতা এখনও কাটেনি।
বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যস্ততম দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হয়নি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবারের অস্বাভাবিক ঝড়বৃষ্টির ফলে হঠাৎ বন্যার কবলে পড়েছে আমিরাত। পানির নিচে তলিয়ে গেছে দুবাই বিমানবন্দরের রানওয়ে। এর ফলে বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। বেশিরভাগ ফ্লাইট বাতিল, পরিবর্তন ও বিলম্ব করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদেশিদের জন্য টার্মিনাল ১-এ অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু হলেও তা বিলম্ব হচ্ছে।
বিশ্বের বৃহত্তম এয়ারলাইন এমিরেটস জানিয়েছে, ৯ ঘণ্টা বিলম্বের পর, তারা দুবাইতে মধ্যরাতের যাত্রীদের সকাল ৯টা থেকে চেক ইনের কাজ পুনরায় শুরু করবে।
৭৫ বছরের মধ্যে রেকর্ড বৃষ্টিপাতের নজির দেখা গেল সংযুক্ত আরব আমিরাতে। বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট হওয়া বন্যায় দুবাইয়ের বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে যানজট। অফিস ও বাড়িতে আটকা পড়েছে বেশিরভাগ মানুষ।
ইম্পেরিয়াল কলেজ অব লন্ডনের জলবায়ু বিজ্ঞানী কলিন কোলজা মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনকে এ ধরনের বৃষ্টিপাতের জন্য দায়ী করেছেন। তবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম বৃষ্টি ঝরানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছে মেঘ তৈরির সাথে জড়িত আমিরাতের সরকারি সংস্থা।
রোববার আমিরাতের প্রতিবেশী ওমানে আঘাত হানে ঝড়। এতে সেখানে দেখা দেয় বন্যা অন্তত ২০ জন মারা যায়। ঝড়টি মঙ্গলবার আমিরাতে আঘাত হানে। এতে ভেসে যায় দুবাইসহ বেশিরভাগ এলাকা। এ পর্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
