বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য চীনের তিয়ানজিনে বৈঠকে বসতে চলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব ওয়েন্ডি শেরম্যান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং য়ি। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানটান উত্তেজনার সময়ে এই বৈঠকের ফলাফল কী হয় তা নিয়ে রাজনৈতিক উদ্বেগ চলছে দুই দেশেই।
১৯৭১ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জারের চীন ভ্রমণের পর এটিই চীনে যুক্তরাষ্ট্রের কোন বড় পদধারী ব্যক্তির রাজনৈতিক সফর।
গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চীনের বিরুদ্ধে সাইবার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ করেন। এতে সমর্থন দেয় ন্যাটো, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান ও নিউজিল্যান্ড। এটিকে আমেরিকার অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার উপর বিরাট হুমকি হিসেবে দেখছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।
আরও পড়ুন: বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়ছেন, দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হবে এই বৈঠকে। চীনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও পররাষ্ট্র সচিব আলোচনা করবেন।
এদিকে, চার চীনা ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার হ্যাক করার অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে একে মিথ্যা প্রচারণা বলে দাবি করেছে বেইজিং।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র হংকংয়ে অবস্থানরত চীনা কর্মকর্তাদের উপর বিধিনিষেধ জারি করলে শুক্রবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের উপর পাল্টা বিধিনিষেধ আরোপ করে চীন। এতেও দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে নতুন করে চাপের সৃষ্টি হয়েছে।
একাত্তর/এসজে
