দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা আর রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে অসহনীয় ভোগান্তিতে আছেন উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দারা। কয়েকমাস পেরিয়ে গেলেও সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হবার নাম নেই। গতিহীন এই কাজ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের সাথে যুক্ত হবার পর গেলো ছয় বছরেও জলাবদ্ধতা থেকে মানুষের মুক্তি মেলেনি। তবে কাউন্সিলরের আশ্বাস দ্রুতই সব কষ্টের অবসান হবে।
রাজধানীর উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টর। সড়কের জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবার আশা ছেড়ে দিয়ে এই দুর্ভোগের সাথেই মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা মানুষের। ২০ টাকার বিনিময়ে নোংরা পানি পেরোনোর ভোগান্তি অনেকটাই গা সওয়া হয়ে গেছে।
এলাকাবাসী বলছেন, হরিরামপুর ইউনিয়ন সিটি কর্পোরেশনের সাথে যুক্ত হলেও নাগরিক সুবিধা বাড়ার কোনো বালাই নেই। ক’দিন আগের বৃষ্টির জমা পানি এখনো নামেনি। কোনোভাবে চলাচলের জন্য পানি সরানোর প্রাণপণ চেষ্টা। রানাভোলা বামনারটেকসহ আশপাশের এলাকার বেশিরভাগ সড়কই এমন বেহাল।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির সময়ে ভোগান্তি আরও বাড়ে। তখন অল্প একটু জায়গা পার হতে রিকশা-ভ্যানে দিতে হয় ৫০ টাকা।
জলাবদ্ধতা থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে কয়েকটি সড়কে সংস্কার কাজ চলছে গেলো দুই বছর ধরে। কাজের ধীরগতি নিয়েও আছে মানুষের নানা অভিযোগ। এতদিন পানির নিচে থাকলেও কোনোমতে যান চলাচল করতে পারতো কিন্তু সড়ক সংস্কারে কাজ শুরু হবার পর মাত্রা ছাড়িয়েছে দুর্ভোগ।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল নাসির উদ্দীন জানান, নানা সীমাবদ্ধতায় সংস্কার কাজ কিছুটা ধীরগতিতে হলেও দ্রুতই কিছু সড়কে চলাচল করতে পারবে যানবাহন।

তিনি বলেন, আপাতত যেহেতু কাজ চলমান তাই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে- মানুষকে। আশা করি আগামী দুই-তিনমাসের মধ্যে বেশ কয়েকটা সড়ক চালু হবে।
ঢাকা উত্তর সিটিতে এই এলাকা যুক্ত হয়েছে ২০১৭ সালে।
সিলেট সিটিতে নতুন করে বন্যা আক্রান্ত চার হাজার পরিবার