ভারতে প্রায় দেড় মাস ধরে চলা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভোটযজ্ঞ শেষে এখন চলছে গণনা। দিল্লির মসনদে এনডিএ জোট (নরেন্দ্র মোদী) নাকি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট (রাহুল গান্ধী), চলছে সেই প্রক্রিয়া। গত দুটি নির্বাচনের চেয়ে এবার লোকসভায় কংগ্রেসের আসন সংখ্যা বাড়তে চলছে। তবে এরপরও দিল্লির মসনদের পথেই হাঁটছেন নরেন্দ্র মোদী। পোস্টাল ভোট গোনার পর আপাতত সেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে এখনও ইভিএমে লুকিয়ে আছে সেই রাজটিকা। শেখ খবর পাওয়া পর্যন্ত ‘এনডিএ’ জোট (বিজেপি) ২৯৬টিতে এবং ‘ইন্ডিয়া’ জোট (রাহুল) ২২৮টি আসনে এগিয়ে আছে।
এদিকে অষ্টাদশ লোকসভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে ফিরতে চলেছে বিরোধী দলনেতার পদ। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ভোটগণনার ঘোষিত ফলাফল এবং প্রবণতা এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
৫৪৫ আসনের ( দুটি মনোনীত আসনসহ) লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ২৭৩টি। প্রবণতা অনুযায়ী বিজেপির দৌড় ২৫০ এর আগেই থেমে যেতে পারে!
এপ্রিল মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশটির লোকসভার ৫৪৩টি আসনের নির্বাচন সাত ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে কোনো দল বা জোটকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে কমপক্ষে ২৭২টি আসনে জিততে হবে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় নির্বাচন বলে পরিচিত এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ভোটার ছিলেন, যার মধ্যে ৬৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন বলে দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয় ভোটগণনা। প্রথমে গোনা শুরু হয় পোস্টাল ব্যালটের ভোট। পোস্টাল ভোট গোনা শেষ হলে তারপর শুরু হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ভোট।
ভোট গণনা শুরুর প্রথম ঘণ্টা থেকে এগিয়ে ছিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির ক্ষমতাসীন জোট ‘এনডিএ’। এর আগে দেশটির গণমাধ্যমগুলোর যতোগুলো এক্সিট পোল বা বুথ ফেরত জরিপ হয়েছে, তাদের কেউই শাসক দল বিজেপির তৃতীয়বার সরকার গঠন নিয়ে কোনো সংশয় প্রকাশ করেনি। তবে বিজেপি তার ‘ম্যাজিক মার্কে’ পৌঁছাতে যাচ্ছে তার ইঙ্গিত সকাল থেকেই পাওয়া যাচ্ছিলো। তবে দুপুরের পর থেকে একের পর এক চমক আসতে থাকে ‘ইন্ডিয়া’ জোট। ইভিএমের ভোট গোনা শুরু হলে বের হতে নতুন এই চিত্রগুলো।
পাঞ্জাব
পাঞ্জাবে ১৪টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস সাতটি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের মতে, লুধিয়ানায় বিজেপির রবনীত সিং বিট্টুর বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং এগিয়ে রয়েছেন।
কংগ্রেস প্রার্থীরা অমৃতসর, জলন্ধর, ফতেহগড় সাহেব, গুরুদাসপুর, পাতিয়ালা এবং লুধিয়ানা আসন থেকে এগিয়ে এবং এপিপির প্রার্থীরা হোশিয়ারপুর, সাংগুর এবং আনন্দপুর সাহেবে এগিয়ে ছিল।
২০১৯ সালে কংগ্রেস পাঞ্জাবে ৯টি আসন জিতেছিল। এছাড়া আম আদমি পার্টি (এপিপি) একটি, আকালি দল দুটি এবং বিজেটি দুটি আসনে জিতেছিল।
শিখ-অধ্যুষিত পাঞ্জাবের সীমান্ত রাজ্য, যেখানে বিজেপি এবং তার সাবেক মিত্র আকালি দল এককভাবে চলছে। ৩২৮ জন প্রার্থীর সঙ্গে ১৪টি সংসদীয় আসনের সবকটিতে বহুমুখী লড়াই চলছে। ২০১৯ সালে বিজেপি অকালি দলের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে তিনটি লোকসভা আসনে (অমৃতসর, গুরুদাসপুর এবং হোশিয়ারপুর) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।
উত্তরপ্রদেশ
দেশটির লোকসভা নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলো উত্তরপ্রদেশ। ৮০ আসনে প্রদেশটি সবসময়ই নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট রাজ্যের ৮০টি আসনের মধ্যে ৬২টি জিতেছিল। এছাড়া বিএসপি এবং সমাজবাদী পার্টি, তারপরের মিত্ররা যথাক্রমে ১০ এবং পাঁচটি আসন জিতেছিল।
এবার সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেস বিরোধী ভারত ব্লকের সঙ্গে বিএসপি জোট করেছে।
কংগ্রেসের জন্য আমেথি এবং রায়বেরেলি পারিবারিক দুর্গ। কিন্তু গতবার আমেথিতে রাহুল গান্ধী বিজেপির স্মৃতি ইরানির কাছে হেরেছিলেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রায়বরেলী এবং ওয়েনাড় এই দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
অমেথি কেন্দ্রে প্রাথমিক প্রবণতায় এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানি। বারামতি কেন্দ্রে পিছিয়ে পড়েছেন শরদ-কন্যা সুপ্রিয়া সুলে। ওই কেন্দ্রে এগিয়ে অজিত পওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পওয়ার। গান্ধীনগরে এগিয়ে অমিত শাহ।
এদিকে বুথ ফেরত জরিপগুলো উত্তর প্রদেশে এনডিএ জোটকে এগিয়ে রাখলেও ভারত ব্লকের নেতারা সেই অনুমানগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন।
উত্তরপ্রদেশের ৮০টি লোকসভা আসনের জন্য গণনা চলছে। প্রাথমিক প্রবণতা অনুসারে, বিজেপি জোট ৩৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে এবং কংগ্রেস জোট এগিয়ে ২৯টি আসনে।
প্রথম এক ঘণ্টার প্রবণতা অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশে ‘ইন্ডিয়া’র অন্যতম শরিক এসপি এগিয়ে ২৬টি আসনে, কংগ্রেস এগিয়ে ছয়টি আসনে। অন্যদিকে, বিজেপি এগিয়ে ২২টি আসনে, আরএলডি এগিয়ে একটি আসনে।
মহারাষ্ট্র
অপরদিকে মহারাষ্ট্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে এনডিএ ও ইন্ডিয়া জোটের মধ্যে। যেখানে বিজেপির থেকে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ভারত জোট।
একনাথ শিন্ডে-অজিত পাওয়ারের বিদ্রোহ; শিবসেনা এবং এনসিপিতে বিভক্তি; এরপরে রাজ্যের নির্বাচনগুলোর একটি পরিবর্তিত রাজনৈতিক দৃশ্যপট তৈরি হয়েছিল।
রাজ্যটিতে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) এবং বিরোধী ভারত ব্লকের মধ্যে রাজ্যের ৪৮টি লোকসভা আসনের জন্য ভোট গণনা হচ্ছে। সেখানে ভারত জোট বর্তমানে ২৪টি আসনে এগিয়ে আছে, যেখানে এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ১৯টিতে।
২০১৯ সালে বিজেপি মহারাষ্ট্রে ২৩টি আসন জিতেছিল। তাদের সাবেক মিত্র শিবসেনা (অবিভক্ত) ১৮টি জিতেছিল। আর তৎকালীন অবিভক্ত এনসিপি চারটি আসন পেয়েছিল, যেখানে কংগ্রেস মাত্র একটি আসনে জেতে।
উত্তরপ্রদেশের ৮০ আসনের পর মহারাষ্ট্র দ্বিতীয় বৃহত্তম দলকে এলএস-এ পাঠায় এবং এখানকার ফলাফল কেন্দ্রে সরকারের আকারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
মহারাষ্ট্রে নীতিন গড়করি, নারায়ণ রানে, পীযূষ গয়াল, ভারতী পাওয়ার, রাওসাহেব দানভে, কপিল পাতিল, নবনীত কৌর-রানা, উজ্জ্বল নিকম, ডা. শ্রীকান্ত শিন্ডে, ছত্রপতি উদয়নরাজে ভোসলে, সুনেত্রা আ. সহ বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী এই রাজ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। আছেন সুনীল তাটকরে এবং অন্যরা।
দিল্লি
দিল্লির শক্ত ঘাঁটি হয়ে ওঠেছে দিল্লি। সেখানে সাতটি আসনেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।
- প্রবীণ খান্ডেলওয়াল: ৩৮৯৫ ভোটে এগিয়ে
- হর্ষ মালহোত্রা: ৯২০১ ভোটে এগিয়ে
- বাঁসুরি স্বরাজ: ১৮৪৮০ ভোটে এগিয়ে
- মনোজ তিওয়ারি: ৪৭,৯৬৮ ভোটে এগিয়ে
- যোগেন্দ্র চন্দোলিয়া: ৬৫,৩৪৪ ভোটে এগিয়ে
- রামবীর সিং বিধুরী: ২০,৮৬৮ ভোটে এগিয়ে
- কমলজিৎ সেহরাওয়াত: ৩৫,৮১৭ ভোটে এগিয়ে
পশ্চিমবঙ্গ
ভারতে লোকসভা নির্বাচনে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার গণনার প্রথমে পোস্টাল ভোট গণনা হয়। এরপর শুরু হয় ইভিএমের গণনা। প্রাথমিকভাবে গণনায় ক্ষমতাসীন বিজেপি জোট এগিয়ে থাকলেও বেলা গড়াতে ফল পাল্টাতে থাকে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপ্যাধায়ের তৃণমূল কংগ্রেস ৪২টি আসনের মধ্যে ৩০টি আসনে এগিয়ে আছে।
তার মধ্যে- বীরভূমে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী শতাব্দী রায় ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে আছে।
পুরুলিয়ায় গতবার বিজেপির দখলে ছিল। তবে এবার তৃণমূলের শান্তিরাম মাহাতো এগিয়ে রয়েছেন ৩,১০৩ ভোটের ব্যবধানে। পিছিয়ে রয়েছেন বিজেপির বিদায়ী সংসদ সদস্য জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।
যাদবপুরে এবারও নতুন ইতিহাস রচনার পথে তৃণমূল। দলের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ এই কেন্দ্রে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫৪ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। এই কেন্দ্রে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বিজেপি। সিপিএমের সৃজন ভট্টাচার্য এই কেন্দ্রে তিন নম্বরে নেমে গিয়েছে।
ডায়মন্ড হারবারে শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী এখানে তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে বিরাট বিপর্যয়ের আশঙ্কার মুখে বিজেপি। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক পিছিয়ে রয়েছেন ৭,৭০০ ভোটে। এই কেন্দ্র থেকে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূলের জগীশচন্দ্র বাসুনিয়া।
মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বির থেকে ৩,৩০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। এই কেন্দ্রে পিছিয়ে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী জুন মালিয়া।
দুরন্ত লড়াই চলছে বহরমপুরে। ভোট গণনার শুরু থেকে কখনও এগিয়ে কখনও আবার পিছিয়ে ছিলেন কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী। এখনও পর্যন্ত পাওয়া শেষ খবর অনুযায়ী অধীর চৌধুরী এই কেন্দ্র থেকে চার হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রে অষ্টম রাউন্ডের পর তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল প্রায় ৬৫ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আরএসপি-র সমরেন্দ্রনাথ মণ্ডলের প্রাপ্ত ভোট এক লাখ ছয় হাজার ১৪০, বিজেপির অশোক কাণ্ডারীর প্রাপ্ত ভোট ৩২৩২।
ঘাটালো ১২টা নাগাদ ঘাটালে দেবের প্রাপ্ত ভোট এক লাখ ৪২ হাজার ৪২৫। প্রতিদ্বন্দ্বি হিরণ পেয়েছেন এক লাখ ২১ হাজার ৫৩৩ ভোট। প্রায় ২১ হাজার ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন দেব।
ভোটের আগে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে ফেরা ব্যরাকপুরের বিদায়ী সাংসদ অর্জুন সিংহ পিছিয়ে রয়েছেন ১০ হাজার ভোটে। তাঁর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক এগিয়ে রয়েছেন। অন্য দিকে দমদমে ৮১৮৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন সৌগত রায়, বারাসতে কাকলি ঘোষ দস্তিদার এগিয়ে রয়েছেন ৩৯৮৮০ ভোটে। তবে বনগাঁয় বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর এগিয়ে রয়েছেন ৫০২২ ভোটে।
তৃণমূলের প্রায় জয় নিশ্চিত যে কেন্দ্রগুলোতে
- যাদবপুর
- দক্ষিণ কলকাতা
- ডায়মন্ড হারবার
- জয়নগর
- মথুরাপুর
- শ্রীরামপুর
- ব্যারাকপুর
- হাওড়া
- উলুবেড়িয়া
- বর্ধমান-পূর্ব
- বর্ধমান-দুর্গাপুর
- বোলপুর
বিহার
ভারতের বিহারে লোকসভা নির্বাচনে ৪০টি আসনের মধ্যে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) বিহারে ২৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। বিরোধী জোট (রাহুল) এগিয়ে আছে ৯টি আসনে। ২০১৯ এর নির্বাচনে বিরোধী জোট এখানে মাত্র একটি আসনে জিতে ছিল।
ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ
প্রাথমিক প্রবণতা অনুযায়ী, ওড়িশায় অনেকটাই এগিয়ে বিজেপি। বিজেপি এগিয়ে ৪৩টি আসনে। সেখানে বিজেডি ২৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। কংগ্রেস এগিয়ে পাঁচটি আসনে। সিপিএম একটি, অন্যান্য একটি আসনে এগিয়ে।
অন্য দিকে, অন্ধ্রপ্রদেশেও টিডিপি-বিজেপি-জনসেনা জোট অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে শাসকদলের থেকে। টিডিপি ৯৮ আসনে এগিয়ে। জগনের দল এগিয়ে রয়েছে মাত্র ১৯টি আসনে । জননেতা পার্টি ১৪টি আসনে এবং বিজেপি তিনটি আসনে।
বিজেপি যেখানে এগিয়ে
- হিমাচল প্রদেশের চারটি আসনেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।
- বারাণসী আসন থেকে প্রায় ৫০ হাজার ভোটে এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী।
- ত্রিপুরার দুটি আসনেই এগিয়ে বিজেপি।
- ছত্তিশগড়ে নয়টি আসনে এগিয়ে বিজেপি।
- উত্তরাখণ্ডের পাঁচটি আসনেই এগিয়ে বিজেপি।
- গুজরাটে ২৬টি আসনের মধ্যে ২৫ টিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।
কংগ্রেসে সেঞ্চুরি
২০১৪ সালে ৪৪টি এবং ২০১৯ সালে ৫২টি আসনে জয়ে পর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কংগ্রেস ১০০টির বেশি আসনে জিততে চলেছে। এর আগে ২০০৯ সালে ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে দলটি পেয়েছিল ২০৬ আসন।
কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ভারত ব্লক গত বছরের জুনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তার বিজেপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটকে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকাকে থামাতে গঠিত হয়েছিল।
