চা শ্রমিক ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে দেখভাল করতে মালিকদের আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সরকার চা শ্রমিকদের মাথা গোঁজার ঠাঁইও নিশ্চিত করবে।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে চা শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা দেয়া হবে। চা শিল্পের গবেষণার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
সেই সঙ্গে মানুষের রুচি ও চাহিদার দিকে নজর দিয়ে চা উৎপাদন করার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।
চা শিল্পকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা চা শ্রমিকদের জন্য যা করেছেন, তা ভোলেন নাই শ্রমিকরা। চা শ্রমিকদের সঙ্গে আমাদের গভীর সম্পর্ক আমাদের।
শেখ হাসিনা বলেন, পঞ্চগড়ে চা বাগান সফল হওয়ার পর উত্তরবঙ্গে বিস্তার লাভ করেছে। চায়েরউৎপাদন বেড়েছে। উত্তরবঙ্গে চা উৎপাদন আরও সম্প্রসারণ করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সরকারপ্রধান বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে চা অনেক প্রিয়। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎ গেছে, সন্ধ্যার পরে সব চা দোকানে ভিড় করে বসে থাকে। আমাদের নিজেদের চায়ের চাহিদা বেড়ে গেছে। আমরা যা উৎপাদন করি তা রপ্তানির জন্য খুব বেশি একটা থাকে না। বাংলাদেশের মানুষ খুব বেশি চা খেতে পছন্দ করে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে যখন সরকার গঠন করি তখন বিদ্যুৎ ছিল না। ৩/৪ ভাগ মানুষ শুধু বিদ্যুৎ পেতো। সেই সময় চা বাগানে যাতে উৎপাদন ব্যহৃত না হয়, শুধু চা বাগান নয়, আমাদের শিল্প কলকারখানা যাতে ভালো ভাবে চলে, তখন জেনারেটর উপর ট্যাক্স তুলে দিয়েছিলাম। যাতে সহজভাবে কিনতে পারে।
অনুষ্ঠানে চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আটটি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন চা কোম্পানি বা ব্যক্তিকে ‘জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৪’ তুলে দেন শেখ হাসিনা।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।
কংগ্রেসের আসন বাড়ছে, দিল্লির মসনদের পথে মোদী