জম্মু-কাশ্মীরে তীর্থযাত্রীদের বাসে জঙ্গি হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার শাখা সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)। রোববার জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলায় ওই বাসে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বাসের চালকসহ নয়জন নিহত ও কমপক্ষে ৩৩ জন আহত হয়েছেন।
রোববার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে জঙ্গি সংগঠনটি বাসে জঙ্গি হামলার দায় স্বীকার করে ভবিষ্যতে এমন হামলার ঘটনা আরও ঘটিয়ে যাবে বলে হুমকি দিয়েছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।
বিবৃতিতে টিআরএফ বলেছে, জম্মু-কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর এমন হামলা চলতেই থাকবে। রিয়াসি হামলা দিয়ে তা শুরু হলো।
জম্মুর শিবখড়ি মন্দির থেকে কাটরায় বৈষ্ণো দেবীর মন্দিরের উদ্দেশে যাচ্ছিল বাসটি। সেসময় পাশের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিরা হঠাৎ বাসটিতে হামলা চালায়। বাসের চালক গুলিবিদ্ধ হয়ে বাসের নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি খাদে পড়ে যায়।
ঘটনার পর ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জঙ্গিদের ধরতে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। জাতীয় তদন্ত সংস্থাকে (এনআইএ) হামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রিয়াসি বাস হামলায় দুই-তিনজন জঙ্গি জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত মাসে এই জঙ্গি দলটিই রাজৌরি এবং পুঞ্চে হামলা চালিয়েছিলো এবং জঙ্গলে এখনও তারা লুকিয়ে আছে বলে মনে করছে নিরাপত্তা বাহিনী।
২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা বাতিল করার পর জঙ্গি সংগঠনটি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। ২০২৩ সালে টিআরএফকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ভারত সরকার।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথের দিনই এ ধরনের হামলার ঘটনা ভারতকে উদ্বেগে ফেলেছে। প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যালোচনা করছেন বলে জানিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরে দায়িত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা।
অর্থাভাবে নির্বাচন না করেও মন্ত্রী নির্মলা!