ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হবার পর, এই ভয়াবহ ঘটনার পেছনে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বের জড়িত বলে আঙুল তুলে আসছে নয়াদিল্লি। সেই সঙ্গে জড়িতদের কঠোর ও যথাযথ জবাব দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে মোদী সরকার।
এই পরিস্থিতিতে পেহেলগাম হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে পরিচিত লস্কর-ই-তৈয়ার প্রধান হাফিজ সাঈদের নিরাপত্তা চারগুণ বাড়িয়েছে পাকিস্তান। লাহোরের জনবসতিপূর্ণ জোহর টাউনের বাড়ি ঘিরে এখন ২৪ ঘণ্টা পাক সেনা ও গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি চলছে।

শুধু তাই নয়, ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথেও নজর রাখা হচ্ছে, চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বসানো হয়েছে হাই-রেজোলিউশন সিসিটিভি ক্যামেরা। ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল নিষিদ্ধ।
হামলার দায় প্রথমে স্বীকার করেও, পরে অস্বীকার করা দ্য রেজিস্ট্যান্ট ফ্রন্ট (টিআরএফ) পাকিস্তানি জঙ্গি সাঈদের প্রতিষ্ঠিত লস্করের একটি ছায়া শাখা বলেই মনে করছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

পেহেলগাম হামলার পর পাকিস্তানের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, হাফিজ সাঈদের বিলাসবহুল বাড়ি, একটি বড় মসজিদ ও মাদ্রাসা এবং একটি নতুন নির্মিত ব্যক্তিগত পার্ক। এসবের মাঝে পাক সেনা পাহারায় হাফিজ স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করছেন।
জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সাঈদের বিরুদ্ধে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পুরস্কার রয়েছে, অথচ তিনি প্রকাশ্যেই বসবাস করছেন। পাকিস্তান সরকার দাবি, সন্ত্রাসে অর্থ যোগানোর মামলায় জেলে আছেন সাঈদ। কিন্তু বাস্তবে তার বাড়িকে ‘সাব-জেল’ ঘোষণা করায় নিজ বাড়িতেই আছেন তিনি।
২০২১ সালে তার বাড়ির কাছে গাড়ি বিস্ফোরণের পর থেকেই সাঈদের নিরাপত্তা ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়। সম্প্রতি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আবু কাতাল নিহত হওয়ার পর নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়।
হামলার খবর জেনেই কাশ্মীর যাননি মোদী, দাবি বিরোধী নেতার
প্রথম দফার ভোটে জার্মানির চ্যান্সেলর হতে ব্যর্থ মেয়াৎস