মাথার চাপ কমাতে এলো ‘সেকেন্ড ব্রেন’

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৪, ০৮:৩৮ পিএম

মানুষের মাথা তো একটাই, কিন্তু সেই এক মাথাতেই কত চাপ! এক মাথাতেই চলে পড়াশুনা থেকে শুরু করে অফিসে কাজ, চলে চিন্তা-ভাবনা। আছে সৃজনশীলতার চাপ। সেই সঙ্গে আছে স্মৃতি ধরে রাখার তাগাদা। একটি মাথার জন্য কি বড্ড বেশি চাপ হয়ে যাচ্ছে না? তা হলেও প্রায়ই বলতে হয়, এক মাথায় কত চাপ নেবে?

চিন্তার কিছু নেই। প্রযুক্তিবিদরা নিয়ে এসেছেন সমাধান। মানুষের জন্য আরেকটি মাথার ব্যবস্থা করা দিয়েছেন তারা, যার নাম দিয়েছেন ‘সেকেন্ড ব্রেন’ বা দ্বিতীয় মস্তিস্ক। তবে এই দ্বিতীয় মাথা মানুষের শরীরের সঙ্গে যুক্ত থাকছে না। এটি হবে ভার্চুয়াল। তবে প্রয়োজনে কাজ করবে মাথার আরেকটি মগজের মতোই।

জন্মদিন, ফোন নম্বর, বিবাহ-বার্ষিকী, ডেটিং টাইম, ওষুদের সময় থেকে শুরু করে বাজারের ফর্দ, পাসওয়ার্ড, অফিসের কাজ- তালিকা তো লম্বা যে, সত্যিই সত্যিই এতো কিছু মাথায় রাখা সত্যিই সম্ভব নয়। মাথার কাজ কী শুধুই মনে রাখা, স্মৃতি ধরে রাখা। তাহলে চিন্তা-ভাবনা ও সৃজনশীলতা কিভাবে সম্ভব?

তাই মানুষের জন্য দরকার আরও একটি মাথা। তাই বাজারে এল সেকেন্ড ব্রেন। এটি কোনো চিপ নয়। আর অপারেশন করেও একে শরীরে বসাতে হবে না। এটা আসলে এক ধরনের ডিজিট্যাল নথি। এটি এমন এক জিনিস, যা কোনো ডকুমেন্ট বা ছবি স্টোর করে রাখত পারে কমপক্ষে ৫০০ বছরের জন্য।

সমীক্ষা বলছে, প্রতিদিন গড়ে একজনের মাথা থেকে ৩০ থেকে ৫০টি তথ্য মুছে যায়। আইনস্টাইনের মতো যাদের আইকিউ, তাদের ক্ষেত্রে এই হার কিছুটা কম। তবে দ্রুত মুছে যায় ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ড, পরিচিত মানুষের মুহূর্ত, এপ্লয়ি আইডি, ব্যাঙ্ক আইডিসহ অনেক তথ্য। মুছে যায় অনেক গোপন কথাও। 

এসব ক্ষেত্রেই মানুষকে স্বস্তি দিতে পারে সেকেন্ড ব্রেন। প্রযুক্তিবিদরা জানাচ্ছেন, এটি ক্লাউড বেইসড ডেটা স্টোরেজ সিস্টেম। অ্যাপের মাধ্যমে চালু করা হবে। অ্যাপ ডাউনলোড হলেই সেকেন্ড ব্রেনের কাজ শুরু করে দেবে, বিভিন্ন ছবি ও ডেটা স্টোর করা যাবে। খরচ শুরু মাসে ৬০০ টাকা থেকে।

কী ধরনের সেকেন্ড ব্রেন চাইছেন সেটা বেছে নিতে হবে আপনাকেই। প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে হবে কিছু অ্যাপ। নোশন, এভারনোট, ওয়ান নোট, ওবসিডিয়ানের মতো অ্য়াপে রয়েছে সেকেন্ড ব্রেন। সব অ্যাপেই ক্লাউডে ডেটা স্টোর হবে। সেকেন্ড ব্রেন কী ডিজিট্যাল ডিভাইসের মতো? উত্তর কিন্তু না।

অ্যাপ সংস্থাগুলো এটিকে বলছে হিউম্যান মেমোরি। তাদের দাবি, এই সেকেন্ড ব্রেন ডেটা স্টোর করছে বটে, তবে আসলে তারা স্মৃতিকে ধরে রাখছে। এক্কেবারে মানব মস্তিকের মতোই। সেকেন্ড ব্রেনের আইকিউ বেশ ভাল। নিজের বুদ্ধিতে চলতে পারে। ঠিক ঠিক বাছাই করে নিতে পারে প্রয়োজনীয় সব ডেটা।

উল্লেখ্য, সেকেন্ড ব্রেন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছিলো সেই ২০০৮ সালে। বিজ্ঞানীরা তখন বলেছিলেন মনে রাখাটা মস্তিকের প্রধান কাজ নয়। প্রধান কাজ- নতুন নতুন চিন্তা-ভাবনা করা। মনে রাখার জন্য অন্য  ব্যবস্থা প্রয়োজন। তারই ফল সেকেন্ড ব্রেন। অর্থাৎ, চাইলেই আরেকট মাথা বেছে সুযোগ এখন অবারিত। 

একাত্তর/এসি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে প্রথমবারের মতো মানুষের মন পড়ার প্রযুক্তি এনেছেন বিজ্ঞানীরা। এ প্রযুক্তির সাহায্যে সেন্সরযুক্ত হেলমেট পরলে মানুষের মস্তিষ্কে থাকা ভাবনাকে শব্দে রূপান্তর করে লিখে দেবে...
এবার আঙুলের স্পর্শ ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এমনটাই দাবি একদল মার্কিন বিজ্ঞানীর। তারা বলছেন, তারা এমন একটি চিপ তৈরি করেছেন যা মানুষের মস্তিষ্কে স্থাপন করা যাবে এবং এর ফলে মানুষ...
ভারতের জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদ অভিমুখে অগ্রসর হওয়া তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভকারীদের ওপর দিনভর ব্যাপক...
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন হত্যাসহ হয়রানিমূলক মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদীয়...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর