যারা রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তাদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট।
সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সেতু ভবন এবং দুর্যোগ ভবন পরিদর্শন করে জোট নেতারা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর নেতৃত্বে জোট নেতারা সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রথমে সেতু ভবন ও পরে দুর্যোগ ভবন পরিদর্শন করেন।
তারা নাশকতার আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবন দুটির ধ্বংসযজ্ঞ দেখেন। সন্ত্রাসীদের দেওয়া আগুনে ধ্বংস সেতু ভবন কঙ্কাল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আনা নেয়ায় জন্য যে সব গাড়ি ব্যবহার করা হতো, পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলোও। এখন কর্মকর্তাদের দৈনন্দিন কাজ করতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে তাঁবু টাঙিয়ে।
১৪ দলের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দীন নাছিম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননসহ প্রমুখ।

পরদির্শনের সময় কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলেন ১৪ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
আগুন লাগিয়ে হামলার ধরণ দেখে জোট নেতারা বলছেন, নিশ্চিতভাবেই এ হামলার সাথে বিএনপি-জামায়াত-শিবির জড়িত। যারা শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনকে কাজে লাগিয়েছে।
পরে ১৪ দলীয় জোটের নেতারা যান মহাখালির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে। যে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ঝড়-বন্যাসহ যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে সারাদেশের সাথে সমন্বয় করা হতো, নেয়া হতো প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা। সেটিও সন্ত্রাসীদের আগুনে ভস্মীভূত।
জনগণের কাজে আসে এমন স্থাপনাই বেছে বেছে ধ্বংস করা হয়েছে যেন জনগণ কষ্টভোগ করে, বলছেন ১৪ দলীয় জোটের নেতারা।
আমির হোসেন আমু বলেন, একটা দখলদার বাহিনী দেশে যে সব ধ্বংসযজ্ঞ করে, তারই কিছু নমুনা তারা এখানে রেখে গেছে। আজকে আর বলতে অসুবিধা নেই, তারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে এখন পর্যন্ত মেনে নিতে পারেনি, বিশ্বাস করে না।
তিনি আরো বলেন, যারা দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করতে চায়, তাদেরই কর্ম হচ্ছে আজকের এই স্থাপনাগুলো ধ্বংস করে দেওয়া, যোগাযোগব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া। দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়ে দেশকে পঙ্গু করে দেওয়া। এটাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।
ফরিদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহার