মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে নির্বাচনী প্রচারে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের টার্গেট করে সাইবার হামলা চালাচ্ছে ইরান, এমনটাই দাবি করেছেন প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফটের গবেষকেরা। এদিকে তেহরানের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রিপাবলিকান পার্টি।
মাইক্রোসফটের বরাতে এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মার্কিন নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টায় ইরান তার অনলাইন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গেলো জুনে নির্বাচনী প্রচারের কাজে নিয়োজিত এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করে ইরান সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা। দেশটির গোয়েন্দা ইউনিট গোপন তথ্য সংগ্রহ করার উদ্দেশে ওই কর্মকর্তাকে একটি স্পিয়ার ফিশিং ই-মেইল পাঠিয়েছিলো।
এছাড়া আরেকটি ইরানি গ্রুপ মার্কিন ভোটারদের লক্ষ্য ধরে নিয়ে গোপন সংবাদ সাইট চালু করেছে।
সাইবার হামলা চালানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যমান বিভাজনমূলক বিভিন্ন সমস্যা, যেমন জাতিগত উত্তেজনা, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও লিঙ্গ-সম্পর্কিত সমস্যাবলী তীব্র করে তুলতে ইরানি হ্যাকাররা জোরদার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাইবার হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরান গোপন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলো ব্যবহার করছে।
ইরানি হ্যাকাররা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিভেদ তৈরির লক্ষ্যে এসব কাজ করেছে বলে দাবি ওই কর্মকর্তাদের।
একই অভিযোগে শনিবার ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাপে ইরানকে দোষারোপ করেছেন। তবে সাইবার হামলার বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
এদিকে এক বিবৃতিতে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে ইরান মিশন জানিয়েছে, ইরানের সাইবার সক্ষমতা প্রতিরক্ষামূলক। যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা নেই তেহরানের।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় উল্লেখ করে, এ ধরনের বিষয়ে ইরান হস্তক্ষেপ করে না বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।
এর আগে ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনের সময় একই ধরনের অভিযোগ উঠছিলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে। সে সময় পুতিন সরকার এসব অভিযোগকে বানোয়াট এবং গুজব বলে উড়িয়ে দেয়।
গাজায় সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা, নিহত শতাধিক
ইসরাইলে নজিরবিহীন হামলা হিজবুল্লাহর
রাশিয়ায় আক্রমণের কথা স্বীকার জেলেনস্কির