ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আসাম রাজ্যে বন্দিশিবিরে আটক রাখার প্রতিবাদে অনশন করছেন নারী ও শিশুসহ শতাধিক রোহিঙ্গা। বন্দিশিবির থেকে অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে সোমবার অনশনে বসেন তারা।
মাটিয়া ট্রানজিট ক্যাম্প হিসেবে পরিচিত ওই বন্দিশিবিরটি ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করা অভিবাসীদের আটক রাখার জন্য সবচেয়ে বড় বন্দিশালা। খবর রয়টার্স’র।
মাটিয়া ট্রানজিট ক্যাম্পে অনশনরতদের মধ্যে ১০৩ জন রোহিঙ্গা এবং ৩০ জন মিয়ানমারের চিন সম্প্রদায়ের শরণার্থী। তাদের অনেকের জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) দেওয়া শরণার্থী কার্ড রয়েছে।
অনশনরত এক রোহিঙ্গা রয়টার্সকে জানান, অনেকের বন্দিত্বের মেয়াদও শেষ হয়েছে। এরপরও তাদের আটকে রাখা হয়েছে। এমনকি ৩৬ জন রোহিঙ্গার ইউএনএইচসিআরের শরণার্থী কার্ড রয়েছে। ওই বন্দিশিবিরের পরিবেশ ভালো নয় এবং সেখানে বন্দিদের সঙ্গে আত্মীয়-স্বজনদের দেখা করতে দেওয়া হয় না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে আসামের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রবি কোটা বলেছেন, আন্দোলনকারীরা মুক্তির দাবি করেছেন। তাদের সমস্যার বিষয়ে জানতে ওই বন্দিশিবিরে সরকারি কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। সার্বিক বোঝাপড়ার পর তারা একটি প্রতিবেদন দেবেন।
এই আন্দোলনকারীদের সবাইকে আদালতের একই নির্দেশে আটক রাখা হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া আদালতের আদেশগুলো সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো কী কী এবং আইনগতভাবে তারা কোন অবস্থায় আছেন, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে।
ভিয়েতনামে টাইফুন ইয়াগির তাণ্ডবে নিহত ১৯৭