মিয়ানমারে বন্যায় ১৯ মৃত্যু, গৃহহীন হাজারো মানুষ

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৭:৩৪ পিএম

মিয়ানমারে সুপার টাইফুন ইয়াগির প্রভাবে ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় কমপক্ষে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত তিন হাজার ৬০০ জন মানুষকে নৌকার মাধ্যমে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় অগ্নিনির্বাপণ সংস্থা।

শক্তিশালী টাইফুন ইয়াগির প্রভাবে মিয়ানমার ছাড়াও ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে মারাত্মক বন্যা দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে বন্যায় ২৩০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং উভয় দেশেই নদীর পানি বেড়ে বেশ কয়েকটি শহর প্লাবিত হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

গত ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। দেশটিতে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে নতুন গঠিত প্রতিরোধ বাহিনী ও জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো লড়াই শুরু করলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে দেশটি গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। এ অবস্থায় বন্যার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

বন্যা কবলিতদের উদ্ধার করছেন উদ্ধারকর্মীরা। ছবি: দমকল বিভাগের ফেসবুক থেকে নেয়া।

জাতিসংঘের সহযোগিতায় পরিচালিত মিয়ানমার ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের (এমআইএমইউ) স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোর আশপাশের প্রায় ১৬২ বর্গকিলোমিটার এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও মন্দালয় শহরের ৩৬৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

মিয়ানমারের দমকল বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত নেপিদো অঞ্চলের ৩০টি এলাকা থেকে তিন হাজার ৬০২ জন মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং বন্যায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কিছু ভবন বন্যার পানিতে ডুবে গেছে, এবং উদ্ধারকর্মীরা নৌকায় করে ছাদে আটকে থাকা নারী ও শিশুসহ বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দাদের উদ্ধার করেছেন।

এ অবস্থায় মিয়ানমারের পাঁচ কোটি ৫০ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষের মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে, নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং প্রবেশাধিকারের সীমাবদ্ধতার কারণে আন্তর্জাতিক রেডক্রসসহ অনেক ত্রাণ সংস্থা বন্যা কবলিত এলাকায় পৌঁছাতে পারছে না।

 

একাত্তর/জো
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পঞ্চম দিনেও থামেনি উদ্ধার অভিযান। এবার ধ্বংসস্তূপ ও কাদায় আটকে থাকা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে পৌঁছাতে ড্রিলিং শুরু করেছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫০ জনে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজার ৪৪ জন। রোববার দুর্যোগের পর পঞ্চম দিনে এসেও থামেনি উদ্ধার অভিযান, মিলছে মরদেহ।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের চারদিন পরও প্রায় তিন হাজার মানুষের সন্ধান মেলেনি। বুধবার হিমালয় অঞ্চলে বরফ, কাদা, পানি ও ধ্বংসাবশেষের সুনামির মতো স্রোতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে...
নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন শত শত মানুষ। তাদের মধ্যে অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারী রয়েছেন।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় সৌদি আরবের জাতীয় নৌপরিবহন সংস্থা 'বাহরি'র মালিকানাধীন একটি তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কারে ইরানি সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে। সোমবার রাতের...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাতের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই চার বছরের মধ্যে প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্য সফরে মিশর পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার মিশরের রাজধানী কায়রোতে...
নিচ্ছক কোনো আনুষ্ঠিকতার নির্বাচন নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিতে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী...
মাত্র এক দশক আগে ২০১৫ সালের ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উদ্ধারকারী সংস্থা ত্রাণ সহায়তায় ও ক্ষতি মূল্যায়নে যে ড্রোন প্রথম নেপালে নিয়ে এসেছিল, বুধবার স্থানীয় নেপালি...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর