চলচ্চিত্র নায়িকা পরীমনির সঙ্গে এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার ঘনিষ্টতার খবর জানাজানি হয়ে যাবার পর পুলিশের প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে।
এরিমধ্যে পরীমনি, কথিত মডেল পিয়াসা এবং মৌ’য়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলার তদন্তের দয়িত্ব মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ থেকে সরিয়ে সিআইডিকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে এসব নিয়ে মহানগর পুলিশের কোন কর্মকর্তা গণমাধ্যমের সঙ্গে কোন কথা বলছেন না। বারবার যোগাযোগ করেই তাদের কাছ থেকে কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।
একাত্তর টিভির পোর্টাল, একাত্তর ডট টিভিতে কিছুক্ষণ আগে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, গেল পহেলা আগস্ট ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার গোলাম সাকলাইনের সরকারি বাসায় ১৮ ঘন্টা সময় কাটিয়েছেন নায়িকা পরীমনি।
আরও পড়ুন: গোয়েন্দা কর্মকর্তার বাসায় ১৮ ঘণ্টা কাটিয়েছেন পরীমনি
শুক্রবার দুপুরে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের সামনে গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম-কমিশনার হারুন অর রশিদ জানান, পরীমণি সিনেমার আড়ালে অবৈধ ব্যবসা করতেন। তিনি বলেন, ‘নায়িকা পরিচয়ের আড়ালে তিনি কি কি অবৈধ ব্যবসা করতেন, কে কে এর সাথে জড়িত ছিল এসব বিষয়ে পরীমনির থেকে আমরা কিছু তথ্য পেয়েছি। আরও তথ্য পাবার চেষ্টা চালানো হচ্ছে’।
পরীমনিকে আটক করার পর র্যাব বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের রিম্যান্ডে নিয়েছে।
এদিকে, পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার কথিত মডেল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌকে আবারও মাদক মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত।
গত ১ আগস্ট রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ প্রথমে বারিধারায় পিয়াসার বাসায় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এর পর অভিযান চালানো হয় মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে মৌয়ের বাসায়। তার বাসাতেও মাদক পাওয়া যায়। পরে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে গুলশান ও মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা পৃথক মামলায় তাদের তিনদিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
একাত্তর/এসএ
