নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারে এখন আইন-কানুন, বিধি-বিধান পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ও সুশাসনের জন্য নাগরিক- সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
সোমবার, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে তিনি এসব কথা বলেন। গত ৩ অক্টোবর আট জনের এ কমিশন গঠিত হয়। ৯০ দিনের মধ্যে প্রধান সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেওয়ার কথা রয়েছে কমিটির।
ড. বদিউল আলম, আমরা এখন আইনকানুন বিধিমালা পর্যালোচনা করছি। কোনগুলো সংস্কার দরকার তা চিহ্নিত করতে কাজ করছি। যাতে সুস্পষ্ট ধারণা হয়। আমরা একটা ওয়েবসাইট তৈরি করছি।
তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় আইন হল গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ। এরপর সীমানা পুনর্নির্ধারণ আইন ও ভোটার তালিকা আইন আছে, ইসি সচিবালয় আইন আছে- এরকম অনেকগুলো আইন আছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন আছে। সেগুলো নিয়েও পর্যালোচনা করতে হবে। পর্যালোচনা করে সে বিষয়ে সুপারিশ করতে হবে৷ নির্বাচন পর্যবেক্ষক এমন অনেক কাজ বিস্তৃত, যেগুলো পর্যালোচনা করা হবে।
বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, সংস্কার কমিশনের নির্বাহী ক্ষমতা বা এখতিয়ার নেই৷ এটা সরকারের বিষয়। যদি সিদ্ধান্ত দিতে হয় সরকারকে দিতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, “কমিশন নিয়োগের আইন অগ্রাধিকার। সরকার যখন চাইবে, আমরা আশা করি তখনই আমরা উনাদের একটা খসড়া দিতে পারব।“
তিনি আরও বলেন, ওয়েবসাইটে কী থাকা উচিত তা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের ফেসবুক পেজ হবে, আমাদের ই-মেইল হবে। সবার কাছ থেকে আমরা তথ্য চাইব।
ওয়েবসাইটে কী বিষয়ে মতামত চাওয়া হবে, সংবিধান নিয়ে কী আলোচনা হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা লাইন ধরে ধরে পর্যালোচনা করছি। সুনির্দিষ্ট কোনো কিছু নয়।
বদিউল আলম বলেন, আওয়ামী লীগ আমলের তিনটা জাতীয় নির্বাচনে ঘটে যাওয়া অনিয়ম ও ব্যত্যয়গুলো চিহ্নিত করা হবে। যেসব অনিয়ম ও ব্যত্যয় ঘটেছে এগুলো আমরা চিহ্নিত করবো।
অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করবেন কি-না এমন প্রশ্নে সুজন সম্পাদক বলেন, আমাদের সুপারিশ থাকবে। তবে সে কথা বলার সময় এখনো আসেনি।
‘না’ ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সব কিছুই বিবেচনায় নেবো। যত মতামত আসবে যত পর্যালোচনা করবো। নির্বাচন বিষয়ে যে কেউ যে কোনো মতামত দিতে পাবরেন। উন্মুক্ত মতামত নেওয়া হবে।
শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ