ফরিদপুর এক ‘সুবিধাবাদী’র নজর পড়েছিল উপজেলার রসুলপুর বাজার এলাকায় এক বিধবার বসত ঘরে। জায়গাটির দখল পেতে নানা কায়দার পর উচ্ছেদ করতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে শেষমেষ ভেঙেই ফেলেন সালাউদ্দিন চৌধুরী নামে এক দুর্বৃত্ত। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রচার হলে তা নজরে আসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। পরে তার নির্দেশে ওই নারীর ঘর আবারও গড়তে সহায়তা করে বিএনপি।
সোমবার দুপুরে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘর নির্মাণে ওই নারীর হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
এ সময় জেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা, সসদ্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপনসহ জেলা বিএনপির নেতৃরা উপস্থিত ছিলেন।
সরেজমিন উপস্থিত হয়ে রিজভীসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ নিপীড়নের শিকার নারী আসমা আক্তারের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার পাশে থাকার কথা জানান।
পরে রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, ঘর ভেঙে দেওয়ায় বিএনপির কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই কথা জানান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপনও।

কে এই সালাউদ্দিন চৌধুরী
লোকটির খোঁজে একাত্তর স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারে, তিনি মূলত ‘সুবিধাবাদী’ ধরণের। বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের কিছু নেতার গা ঘেঁষা ছিলেন তিনি। তবে দলটির কোনো পদ-পদবীতে ছিলেন না। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তার চলাফেরা কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কামিয়েছেন বেশকিছু পয়সাপাতিও। জায়গা-জমির প্রতি রয়েছে তার দারুণ আসক্তি। আর রসুলপুর বাজারে কুমার নদের পাশে জায়গাটিও বেশ আকর্ষণীয়। তাই সেটি পেতে উঠেপড়ে লেগেছিলেন সালাউদ্দিন।
হঠাৎ তার মুখে বিএনপির নাম কেন, এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে একাত্তর জানতে পারে, সালাউদ্দিনের চরিত্রটাই এমন। রাজনীতির মাঠে বাতাস যখন, যেদিকে বয়; সেদিকে গা ভাসিয়ে দেন তিনি। উদ্দেশ্য একই। ওই বিধবা নারীর জায়গাটি দখল পেতে ‘বিএনপি কার্ড’ খেলেন সালাউদ্দিন। তবে স্থানীয়ভাবে বিএনপিতে তার কোনো পদ-পদবী নেই বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের আশা, যেহেতু সালাউদ্দিনবিএনপির নাম ভাঙিয়ে এমন অপকর্ম করেছেন, সেহেতু দলটির পক্ষ থেকেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সন্ত্রাসে প্রতিবাদ করা ব্যবসায়ীর প্রাণ গেলো সন্ত্রাসীদের হাতেই