গুম কমিশনে ১৬০০’র বেশি অভিযোগ, জড়িত ছয় সংস্থা

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:১০ পিএম

পহেলা অক্টোবর পর্যন্ত এক হাজার ৬০০’র বেশি গুমের অভিযোগ পেয়েছে গুম কমিশন। এরই মধ্যে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে ১৪০ জনের। আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৪০০ অভিযোগ। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত গুমের ঘটনাগুলোর সঙ্গে পাশের দেশের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে  জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদেরও।

মঙ্গলবার সকালে কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন কমিশনের চেয়ারম্যান হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি জানান, জি‌জিএফআই, র‌্যাব, পুলিশ, ডি‌বি,  সি‌টি‌টিসি, সিআই‌ডির কর্মকর্তা‌রা গু‌মের স‌ঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। রাজ‌নৈ‌তিক কারণ ছাড়াও সরকা‌রের সমা‌লোচনা করায় অ‌নে‌কে গু‌মের শিকার হ‌য়ে‌ছেন। 

কমিশনটির চেয়ারম্যান জানান, অ‌নেক জায়গায় আলামত ধ্বং‌সের চেষ্টা করা হ‌চ্ছে। সবচেয়ে বে‌শি গু‌মের ঘটনা ঘ‌টি‌য়ে‌ছে র‌্যাব, যার সংখ‌্যা ১৭২টি।

বিগত সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি বাহিনীকে সরকার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কাউকে গ্রেপ্তার করে সময়মতো আদালতে হাজির করা হয়নি। 

গুমের অভিযোগ:

  • র‌্যাব ১৭২
  • ডিবি ৫৫
  • সিটিটিসি ৩৭
  • ডিজিএফআই ২৬
  • পুলিশ ২৫

গুমের সঙ্গে দেশি-বিদেশি কারা সম্পৃক্ত তা খুঁজে দেখা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা সরকারের সমালোচক ছিল তাদেরও গুম ও টর্চার করা হতো বলে উঠে এসেছে। এখন পর্যন্ত ডিজিএফআই, র‍্যাব, ডিবি, সিটিটিসি, সিআইডি, পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছে কমিশন। 

এর মধ্যে র‍্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ সবচেয়ে বেশি ১৭২টি, সিটিটিসি ৩৭, ডিবি ৫৫, ডিজিএফআই ২৬, পুলিশের বিরুদ্ধে ২৫টি অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। 

সাংবাদিক সম্মেলনে মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, ২৯৯ জনের মতো এখনও নিখোঁজের তথ্য তাদের কাছে আছে। তবে তাদের মধ্যে এই কতোজন গুম আছেন তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ঢাকার মধ্যে র‍্যাবের তত্বাবধানে বেশ কিছু টর্চার সেল দেখেছে গুম কমিশন, যা খুব ভয়ঙ্কর। 

 

একাত্তর/এসি
মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার, জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ এবং সম্পত্তি হস্তান্তরে আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দিতে জাতীয় সংসদে আজ রোববার তিনটি বিল পাস হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসন আমলে সারাদেশে ২৫১ জন গুম হওয়ার ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ...
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, শেখ হাসিনার মাফিয়া শাসনামলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে গুম ও ভীতির সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গুমের ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধী যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো 'আয়নাঘর' থাকবে না।
দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার মতো স্পর্শকাতর খাতগুলোতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর চরম অকার্যকারিতা ও ব্যর্থতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের তীব্র সমালোচনা...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সৌদি আরবে সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী ও পুরুষের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর