২৫১ গুম মানবতাবিরোধী অপরাধ, বিচার এ বছরই শুরুর ইঙ্গিত

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসন আমলে সারাদেশে ২৫১ জন গুম হওয়ার ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এ বছরের মধ্যেই এসব মামলার বিচারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।  

রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ের সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন।

এর আগে গুমের শিকার হওয়া ৫৫টি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন চিফ প্রসিকিউটর। 

বৈঠক শেষে তিনি জানান, গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা একে একে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাছে তাদের জবানবন্দি দিচ্ছেন। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর নিরাপত্তার বিষয়টিকে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।  একই সঙ্গে গুমের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যাতে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করতে না পারেন বা আত্মগোপনে চলে যেতে না পারেন, সে জন্য তাদের তৎপরতার ওপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। 

প্রাথমিক তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।  

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের আমলে গুমের মতো ঘটনাগুলোকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করে প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা হচ্ছে। 

বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে ন্যায়বিচার দেওয়াই ট্রাইব্যুনালের মূল লক্ষ্য বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।

একাত্তর/এসি
কক্সবাজারের টেকনাফের সাবেক পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে আজ শুনানির দিন...
মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার, জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ এবং সম্পত্তি হস্তান্তরে আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দিতে জাতীয় সংসদে আজ রোববার তিনটি বিল পাস হয়েছে।
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, শেখ হাসিনার মাফিয়া শাসনামলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে গুম ও ভীতির সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গুমের ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধী যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো 'আয়নাঘর' থাকবে না।
জানাজা পড়া ও লাশ দাফন প্রত্যেক মানুষের ন্যূনতম মৌলিক, মানবিক ও ধর্মীয় অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী...
মন্ত্রিসভার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের আলোকেই ‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করেছে সরকার। সোমবার এই নাম পরিবর্তনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে গেজেট...
বাংলাদেশ ও জাপান দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সানায়ে তাকাইচি। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, ব্যবসা-বাণিজ্য-বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সহযোগিতা এবং...
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর বলেছেন, জাপানের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং পারস্পরিক স্বার্থে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর