কোনো ব্যাংক বন্ধ করা হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার গ্রাহকের আমানত সুরক্ষার উদ্যোগসহ আয়কর, ভ্যাট-ট্যাক্স আহরণ সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় অর্থ উপদেষ্টা বলেন, দুর্বল ব্যাংকগুলোর গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে তারল্য সঙ্কট মেটাতে সরকার দ্রুতই ব্যবস্থা নেবে।
২.৫ বিলিয়ন ডলারের বকেয়া ছিল, রিজার্ভে হাত না দিয়ে এ বকেয়া এখন ৪০০ মিলিয়ন নেমে এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংক, পুঁজি বাজারসহ আর্থিক খাতে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি হয়েছে। সেগুলো সংশোধন করার চেষ্টা করছি। তবে কয়েকটি ব্যাংকের অবস্থা খারাপ হলেও ইসলামী ব্যাংক ঘুরে দাঁড়ানোর পথে। পুঁজি বাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায়, সরকারের বিবেচনায় সেই বিষয়টি রয়েছে।
বাজারে নতুন কোম্পানি আনার চেষ্টা চলছে জানিয়ে এই উপদেষ্টা বলেন, কারসাজি বন্ধেও কাজ করছে সরকার। কলকারখানা বন্ধ থাকার পরও শেয়ার বাজারে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর সমালোচনা করেন তিনি।
বীমা কোম্পানির অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে জানিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, মাথায় হাতুড়ি মেরে চট করে রাতারাতি বীমা খাতকে ঠিক করা যাবে না। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে কাজ করার তাগিদ দেয়া হচ্ছে।
এসময় মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধিকে বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাজেটের ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সরকারি কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের বেতন-ভাতা আটকাবে না। এডিপিতে কোনো কোনো প্রকল্প অপ্রয়োজনীয় এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া হয়েছে। সেগুলো ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকার এমন সংস্কার করে যাবে, যাতে পরবর্তীতে যে কেউ টাকা চুরি, পাচার ও ব্যাংকের টাকা তসরুপ করতেও ভয় পাবে; যোগ করেন ড. সালাহউদ্দিন আহমেদ।
সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইলে বাস-পিকআপের সংঘর্ষ, নিহত চার