দেশে যেসব নাগরিকের বয়স ১৮ বা তার বেশি, কিন্তু এখনো জাতীয় পরিচয়পত্র হয়নি তাদেরকে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের আগেই ভোটার হওয়ার আহবান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য তাদের নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট থানা/উপজেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
সোমবার, ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক শরিফুল আলমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই অনুরোধ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি উল্লেখ করেন, ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। যাদের জন্ম ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে তারা যদি ভোটার না হয়ে থাকেন তাদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে ভোটার হওয়ার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
এক্ষেত্রে রোববারের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিটি ওপরের তথ্য দ্বারা সংশোধন করা হলো। এর আগে, এক বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ২ জানুয়ারির আগে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভুল সংশোধন করতে অনুরোধ জানিয়েছিল। সেই বিজ্ঞপ্তি ‘সংশোধন’ করে সোমবার গণমাধ্যমে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ইসি।
নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। যাদের জন্ম ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে, তারা যদি ভোটার না হয়ে থাকেন, তাদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে ভোটার হওয়ার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী, প্রতিবছর ২ জানুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়। প্রতিবছর ২ জানুয়ারি তার আগের বছরের তথ্য নিয়ে হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করে ইসি। তালিকা নিয়ে দাবি, আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ২ মার্চ প্রকাশ করা হয় চূড়ান্ত তালিকা। আগামী ২ মার্চ এ বছরের তথ্য নিয়ে হালনাগাদ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সস্প্রতি নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রতি বছর ১ জানুয়ারি অনুযায়ী হালনাগাদ ভোটার তালিকা হয়ে থাকে৷ এ পর্যন্ত ১৭ লাখ তথ্য আমাদের হাতে আছে, যেটা ১ জানুয়ারি ২০২৫ সালে আমরা সন্নিবেশ করবো এবং তারা নতুন ভোটার হিসেবে তালিকায় যুক্ত হবেন।
তবে পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, এই তথ্যটা পূর্ণাঙ্গ হয় না৷ কারণ অনেকেই অফিসে এসে নিবন্ধন সম্পন্ন করেন না৷ আনুমানিক ৪৫ লাখ হতে পারতো এই সংখ্যাটা। আমাদের হাতে যে ১৭ লাখ তথ্য আছে তার মধ্যে ১৩ লাখ আমরা ২০২২ সালে সংগ্রহ করেছিলাম।
আর বাকি চার লাখ আমাদের বিভিন্ন অফিসে এসে এই বছরে নিবন্ধন করেছে৷ অর্থাৎ আমাদের ধারণা ২৭ থেকে ২৮ লাখ ভোটার, কম-বেশি হতে পারে, যারা কিন্তু ভোটার হওয়ার যোগ্য৷
তিনি আরও বলেন, যারা বাদ পড়লেন আমরা চাই তারা ভোটার তালিকায় যুক্ত হোক৷ এজন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের তথ্য সংগ্রহ করবো। বাদপড়া ভোটাররা ছাড়াও ২০২৫ সালে যারা ভোটার হবেন অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১ জানুযারি যারা ভোটার হওয়ার যোগ্য হবেন তাদের তথ্যও বাড়িবাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করবো।
ইইউ দেশগুলোর ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে সরানোর অনুরোধ প্রধান উপদেষ্টার