৩১ ডিসেম্বর: আলোচনার তুঙ্গে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:০৮ পিএম

রাত পোহালেই ৩১ ডিসেম্বর। চলতি ইংরেজি বছরের শেষ দিনে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র দেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। এদিন বেলা তিনটায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠান করে এ ঘোষণাপত্র দেবেন তারা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ জানিয়েছেন, জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র ঘিরে ৩১ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কমপক্ষে দেড় থেকে আড়াই লাখ মানুষের জমায়েত করার পরিকল্পনা নিয়েছেন তারা। এতে নিরাপত্তা ঘিরে থাকবে কমপক্ষে ৫০০ পুলিশ সদস্য।

সোমবার বিকেলে ডিএমপি হেডকোয়ার্টারে ডিএমপি কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শেষে সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ বলেন, মঙ্গলবার থেকে এক নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করবে বাংলাদেশ। আগামী বাংলাদেশে যে সরকারই আসবে এই ঘোষণাপত্র সীমারেখা হয়ে কাজ করবে।

তিনি বলেন, ঘোষণাপত্রের মধ্য দিয়ে অবসান হবে বস্তা পঁচা রাজনীতির। জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সকল রাজনৈতিক দল নতুন এই ঘোষণাপত্রকে স্বাগত জানাবে বলে আশাবাদ তাদের। তবে রাজনৈতিক দলগুলো ঘোষণাপত্র দেয়ার কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেয়নি। 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’র সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রকে আমরা বেসরকারি উদ্যোগ হিসেবে দেখছি। এর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।

এই ঘোষণাপত্র নিয়ে এরই মধ্যে জনমনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শহীদ মিনারে কি হতে যাচ্ছে, আর ঘোষণাপত্রেই বা কী থাকবে, এনিয়ে কৌতূহলের জন্ম হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা জানিয়েছেন, ৩১ ডিসেম্বর জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রে ‘নতুন বাংলাদেশের’ ঘোষণা দেওয়া হবে। 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এই ঘোষণাপত্রে আগামীর বাংলাদেশের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। ৩১ ডিসেম্বর জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রে ‘নাৎসিবাদী আওয়ামী লীগকে’ বাংলাদেশে অপ্রাসঙ্গিক ঘোষণা করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা চাই, মুজিববাদী সংবিধানকে কবরস্থ ঘোষণা করা হবে৷ যেখান থেকে একদফার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল, ঠিক সেই জায়গা থেকে মুজিববাদী বাহাত্তরের সংবিধানের কবর রচিত হবে৷ আমরা প্রত্যাশা রাখছি, জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রে নাৎসিবাদী আওয়ামী লীগকে দেশে অপ্রাসঙ্গিক ঘোষণা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মানুষ ৭২ এর মুজিববাদের সংবিধানের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে। ৭২ এর সংবিধানের বিরুদ্ধে যেভাবে মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল, সেটাকে স্বীকৃতি দিতে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে। ৩১ ডিসেম্বর আগের সংবিধানের কবর রচনা হবে।

হাসনাত বলেন, এটা নির্দিষ্ট কোনো দলের প্রক্লেমেশন না। আমরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারিত জাতি। আর যেন প্রতারিত না হই, এজন্য এই ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। আমরা চাই যেখান থেকে এক দফা ঘোষণা দেয়া হয়েছিল, সেখান থেকেই মুজিববাদের কবর রচনা করা হবে।

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, আমরা বিপ্লবের একটিমাত্র ধাপ অতিক্রম করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের বিপ্লব যেমন ফ্যাসিস্টবিরোধী সবাইকে ধারণ করতে পেরেছিল, এই ঘোষণাপত্রও সবার আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে পারবে। ঘোষণাপত্রের খসড়াও করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই ঘোষণাটি সামগ্রিকভাবে সারাদেশে লিখিত অবস্থায় থাকবে। পুরাতন সিস্টেমগুলোকে রিজেক্ট করবে, নতুন সিস্টেম তৈরি করবে। আগামীতে মানুষ যখন ভোট দেবে তখন তারা বুঝতে পারবে কোন প্রেক্ষাপটে অভ্যুত্থান হয়েছিলো। আমরা বিশ্বাস করি মানুষের মনকে যেভাবে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় করেছিল, তেমনিভাবে এই ঘোষণাপত্র মানুষের মনে ধারণ করবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসুদ বলেন, শহীদ পরিবারের লোকজন ছাড়াও সব রাজনৈতিক দল ও গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ৩১ ডিসেম্বর শহীদ মিনারে জড়ো হবে। আওয়ামী লীগকে অপ্রাসঙ্গিক ঘোষণা করে, গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা ঘোষণা করা হবে।

ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয়ে নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, ৩১ ডিসেম্বর ‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভ্যুলেশন’ ঘোষণা করা হবে। এটি গণঅভ্যুত্থানের একটি দালিলিক প্রমাণ। কোটা আন্দোলন থেকে কীভাবে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, কেন মানুষ জীবন দিয়েছে সব কিছু উঠে আসবে। 

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা যারা এই অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছি তাদের পক্ষ থেকে একটা জুলাই প্রোক্লেমেশন আসবে, একটা ঘোষণাপত্র আসবে, কোন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে অভ্যুত্থান সংঘটিত হলো বা সরকার পতনের ঘোষণা দেওয়া লাগলো। এই অভ্যুত্থানের ফলে আসলে ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষাটা কী ছিল, সেটি ব্যক্ত করার জন্য একটি ঘোষণাপত্র জাতির সামনে হাজির করা হবে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিপ্লবী কোনো সরকার ঘোষণা করার পরিকল্পনা আছে কি না- জানতে চাইলে নাহিদ ইসলাম বলেন, এজন্য আপনাদের ৩১ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ঘোষণাপত্রের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ, মুজিববাদের কবর হবে। দলমত ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিকের মুক্তির সনদ। সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ। ৩৬ জুলাই পূর্ণতা পাক ৩১ ডিসেম্বরে।

এর আগে, ৩১ ডিসেম্বরকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একের পর এক রহস্যজনক স্লোগান লিখে আলোচনার জন্ম দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যরা। ফলে সেদিন কী হতে যাচ্ছে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

‘থার্টিফার্স্ট ডিসেম্বর, নাউ অর নেভার’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের অনেকের এমন নানা পোস্ট ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এমন প্রেক্ষাপটে ঘোষণাপত্রে কী থাকছে কিংবা অভ্যুত্থানের এতদিন পরে কেন ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হচ্ছে, তা নিয়ে সাধারণের মধ্যে বিরাজ করছে এক ধরনের উদ্দীপনা।

রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা বলছেন, বৈষম্যবিরোধীদের ঘোষণাপত্রে কী থাকছে এনিয়ে তাদের পরিষ্কার কোনো ধারণা নেই। কারণ, ঘোষণাপত্র নিয়ে কোন দল বা অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলাপ-আলোচনা করেনি। এ অবস্থায় ঘোষণাপত্র কী থাকছে, তা নিয়ে আগাম কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি দলগুলো।  

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, শহীদের রক্তের ওপর দিয়ে লেখা যে সংবিধান, সেই সংবিধানকে যখন কবর দেওয়ার কথা বলা হয়, তখন কিন্তু আমাদের কষ্ট লাগে। কবর দিয়ে ফেলব, মেরে ফেলব, কেটে ফেলব- এ সমস্ত কথা ভালো কথা নয়। এ ধরনের কথা ফ্যাসিবাদের মুখ থেকে আসে।

মির্জা আব্বাস বলেন, যারা ৫ আগস্টের আন্দোলনের স্ফুলিঙ্গ হিসেবে কাজ করেছে, এককভাবে তারা এই আন্দোলনকে নিজেদের করে নিতে চায়। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন প্রায় নিভু নিভু, তখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামনে এগিয়ে আসে। সাধারণ মানুষ সামনে এগিয়ে আসে। আমরা এগিয়ে যাই।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংবিধান একটি জাতির আত্মজীবনী। এটি সংশোধন হতে পারে সময়-সময়ে। কিন্তু বাতিল হতে পারে না। এই সংবিধানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কথা রয়েছে, আরও অনেক কথা রয়েছে, যেগুলো জনগণের কল্যাণে নিহিত। 

সংবিধানের বিধানগুলোকে না মেনে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল বলে উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংবিধানে ফ্যাসিবাদের যে বৈশিষ্ট্যগুলো আছে, সেগুলো সংশোধন হতে পারে। সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে শেখ হাসিনা যে অকর্ম করেছে সেইগুলো, সেগুলো নিয়ে কথা হতে পারে। কিন্তু সংবিধান বাতিল করে নতুন করে লেখা হবে, আমার মনে হয় এতে জাতির যে ধারাবাহিকতা, সেটি ক্ষুণ্ন হবে।

বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, যেভাবে ৭২ সংবিধানকে মুজিববাাদী সংগঠন আখ্যায়িত করে কবর দেওয়ার কথা বলছে, প্রথমত এটা ভুল উপস্থাপনা। এর মধ্যে এক ধরনের বিদ্বেষ কাজ করছে। ৭২ সংবিধান নিয়ে এই ভাষায় কথা বলতো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা। 

তিনি যোগ করেন, ছাত্ররা এই ভাষায় কথা বলবে না, এটাই আমরা দেখতে চায়। ৭২ সংবিধান পাকিস্তানের জান্তার বিরুদ্ধে আমাদের ২৩ বছরের বাঙালি জাতিসত্তার লড়াই। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের যে লড়াই, লাখও শহীদের রক্তস্নাত ছিলো এই সংবিধান।

সাইফুল হক বলেন, এই সংবিধানে অনেক ঘাটতি, দুর্বলতা আছে। তা নিয়ে অনেকগুলো বিকল্প প্রস্তাবনা আছে, তা আমরা গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে ৩১ দফায় বলেছি। সেখানে সংশোধনের অনেকগুলো প্রস্তাবনা রয়েছে। এটি বাতিল করতে গেলে বর্তমান যে অস্থিরতা ও নৈরাজ্য তা বাড়িয়ে তুলবে।

জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের খসড়ায় যা আছে

জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের খসড়ায় বলা আছে, যেহেতু বাংলাদেশের মানুষ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির জন্য ১৯৪৭ সাল যুদ্ধ করেছে, যেহেতু পাকিস্তান ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে, যেহেতু ১৯৭২ এর সংবিধান আমাদের জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে পারেনি, যেহেতু মার্শাল ল’ এবং সাংবিধানিক সংশোধনীসমূহ ক্রমান্বয়ে রাষ্ট্রকে দুর্বলতম করেছে। এই উত্থান-পতনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়েছে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

খসড়ায় আরও উল্লেখ রয়েছে, যেহেতু বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম করার ক্ষেত্রে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে; পিলখানা, শাপলা চত্বর গণহত্যা, বিচার বিভাগীয় হত্যা, সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে; ছাত্র-জনতা এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে; রাজাকারের নাতি হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে; আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ফ্যাসিস্ট শাসন দীর্ঘস্থায়ী কারার ক্ষেত্রে বেপরোয়া ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে; ছাত্ররা ৯ দফা দাবি উপস্থাপন করেছিল, ইন্টারনেট বন্ধ করে কারফিউ জারি করে ছাত্র-জনতার উচ্চকিত কণ্ঠ স্তিমিত করার চেষ্টা হয়েছিল; ছাত্র-জনতা অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল; সকল শ্রেণি-পেশার, ধর্ম, বর্ণ, সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, ডান-বাম নির্বিশেষ ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে অকল্পনীয় ঐক্য গড়ে তুলেছে, সেহেতু ছাত্র-জনতা ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করেছে এবং সহস্রাধিক জীবন বিসর্জন দিয়েছে। সেই সঙ্গে আজও শত শত ছাত্র-জনতা মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতর, সেজন্য আমরা নিজেদের স্বাধীন সার্বভৌম জনগণ হিসেবে ঘোষণা করলাম। এর প্রেক্ষিতে...

* আমরা পার্লামেন্ট বিলুপ্তি চাই।
* হাসিনা সরকারের সময় নিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে চাই।
* আমরা ড. ইউনূসের নেতৃত্বে একটা অন্তর্বর্তী সরকার চাই।
* মিলিটারি শাসন ও ১/১১ এর পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেজন্য বেগম খালেদা জিয়ার তড়িৎ মুক্তি কামনা করছি।
* আমরা ’৭২ এর সংবিধান সংস্কার বা বাতিল চাই।
* আমরা সকল প্রতিষ্ঠানের সংস্কার চাই।
* আমরা গুম, খুন ও গণহত্যার সুবিচার চাই।
* অর্থপাচার, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার এবং পাচারকারী ব্যক্তিদের শাস্তি চাই।
* আমরা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই। ’৭২ এর বন্দোবস্ত বাতিল চাই।
* ১/১১ এর বন্দোবস্ত বাতিল চাই।
* আমরা একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক) চাই, আমরা বৈষম্য চাই না।

এই ঘোষণা ৫ আগস্ট, ২০২৪ থেকে কার্যকর হবে বলেও জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।

এআরএস
পরিবেশ রক্ষা, কৃষিজমি সংরক্ষণ এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে সরকার গত কয়েক বছরে জোরালো অভিযান চালিয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত দেশে ২ হাজার...
হামে আক্রান্ত রোগীর ৮০ শতাংশের বয়স দু’বছরের নিচে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ৪ থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুরা। আর, সময়মত চিকিৎসা শুরু করতে না পারায়, মৃত্যুর হারও আশংকাজনক বলছেন...
অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপ যাত্রায় ৬৩ শতাংশ বাংলাদেশিই মানবপাচারকারী চক্রের কাছে বন্দী হয়। আর নির্যাতনের শিকার প্রায় ৮০ ভাগ। এমন তথ্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা- ব্র্যাকের। সিআইডি বলছে, মানবপাচারের সাথে...
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় চারটি হত্যামামলাসহ পাঁচ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে দেয়া জামিন স্থগিত করেছে চেম্বার আদালত।
চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আর যুদ্ধবিগ্রহের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারছে ইরান ফুটবল দল। আগামী শনিবার মেক্সিকোতে নিজেদের বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে উড়াল...
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধক্ষেত্রের বারুদ আর ক্ষেপণাস্ত্রের গর্জনের মাঝেই এবার এক অবিশ্বাস্য ও চটকদার রাজনৈতিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলায়...
ফুটবল ইতিহাসের মহাতারকা লিওনেল মেসিকে ছোটবেলায় মাত্র কয়েক বছর ট্রেনিং দিয়েই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁর শৈশবের কোচ এনরিকে ডোমিঙ্গুয়েজ। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে কোচিং ছাড়ার পেছনে কোনো ক্ষোভ বা ব্যর্থতা...
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতা ডা. সেলিনা হায়াত আইভী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টা আট মিনিটে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর