নাটোরে বিয়ে বাড়িতে উচ্চ শব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বরকে মারধর ও বাসরঘর ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বরের মা ও নানিসহ চারজন আহত হয়েছেন। তবে পুলিশ সুপার বলছেন মারধরের ঘটনা ঘটলেও বাসর ঘর ভাঙার ঘটনা সত্য নয়।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নাটোরের বাগাতিপাড়ার জয়ন্তীপুর গ্রামের মিন্টু আলী শাহ্ এর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে মিন্টু আলীর ছেলে আরাফাত শাহ্ (২১) এর সাথে পার্শ্ববর্তী লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া ছোটময়না গ্রামের আব্দুল মজিদের মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ে উপলক্ষে গত দুইদিন ধরে সাউন্ড বক্সে উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে নাচানাচি করে বিয়ে বাড়িতে আগত অতিথিরা।
এ নিয়ে প্রথম দিন ওই গ্রামেরই আব্দুল আওয়াল শাহ্ এসে বরের বাবাকে বিষয়টি জানালে বরের বাবা সাউন্ড কমিয়ে দেয়। দ্বিতীয় দিন রাতে আবারও গান বাজাতে লাগলে আব্দুল আওয়াল শাহ্ ও তার ছেলেসহ স্থানীয় তিনজন এসে মারপিট করে বরকে বাসরঘর থেকে বেড় করে দিয়ে বাসরঘর ভাঙচুর করে। অভিযুক্ত আব্দুল আওয়াল শাহ্ সম্পর্কে বরের চাচা হন।
বরের বাবা মিন্টু আলী শাহ্ অভিযোগ করে বলেন, হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাড়িতে ঢুকে বরকে বাসরঘর থেকে টেনে বাইরে নিয়ে এসে মারপিট করেন। এরপর বাসরঘরে ঢুকে বাড়িতে আগত অতিথিদের বলে তোরা এখন গান বাজা আমরা বাসর করবো। এরপর ঘরে থাকা খাটসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন তারা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আব্দুল আওয়াল শাহ্। তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে এলাকার কাউকে ঘুমাতে দিচ্ছে না বিয়ে বাড়ির লোকজন। আমরা তাদের গান বাজাতে মানা করেছি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান, দুপক্ষের বিরোধের ঘটনা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করে দেওয়া হবে।
নাটোরে পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, বাগাতিপাড়ায় উচ্চ শব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে বরপক্ষের লোকজনকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। নিজেদের স্বজনদের মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটে। তবে বাসরঘর ভাঙার অভিযোগ সত্য নয়।
বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানি: দুইজনের স্বীকারোক্তি, একজন রিমান্ডে