এনটিএমসি ও র্যাব বিলুপ্তি, বিজিবিকে সীমান্তে সীমাবদ্ধ রাখা এবং সামরিক গোয়েন্দা দপ্তরকে কেবল সামরিক কাজে যুক্ত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ। পুলিশ সংস্কার কমিশনে এসব সুপারিশ যুক্ত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এক সংবাদ সম্মেলনে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের সুপারিশ বাস্তবায়নে রোড ম্যাপ ঘোষণার দাবি জানান দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠান- টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
জুলাই-আগষ্টে ছাত্রজনতার অভ্যুত্থান নিয়ে এরিমধ্যে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন। প্রতিবেদনে গণঅভ্যুত্থান দমন করতে নির্বিচার হত্যার তথ্য তুলে ধরে বেশ কিছু সুপারিশও করেছে জাতিসংঘ।
তবে এই প্রতিবেদনের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে দাবি করে বক্তারা বলেন, সংখ্যালঘু, আদিবাসী, নারী-শিশু, শ্রমিক ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের ওপর যে হামলা ও নির্যাতন হয়েছে সেটি বিশদভাবে তুলে ধরা হয়নি। সেইসাথে ৫ আগস্ট পরবর্তী সহিংসতার তথ্য এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা উচিত ছিলো বলেও মনে করেন বক্তারা।
জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন বাস্তবায়নে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো একটি রোড ম্যাপ প্রণয়ন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা। কিছুটা হতাশা নিয়ে বক্তারা বলেন এখনও দেশে কোন পরিবর্তনই সেভাবে দৃশ্যমান হয়নি। তবে কিছু প্রক্রিয়া হয়তো চলমান রয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আড়িপাতা সংস্থা এনটিএমসি ও র্যাব মিলে বাংলাদেশকে একটি নজরদারি রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিল। এ সব প্রতিষ্ঠানকে বিলুপ্ত ঘোষণা করতে হবে।
স্বাধীন পুলিশ কমিশনের মাধ্যমে পুলিশ, গোয়েন্দা, বিজিবি, আনসার ভিডিপি ও সশস্ত্র বাহিনীর যেসব কর্মকর্তা মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতিতে জড়িত তাদের পদ থেকে অপসারণ করা এবং জাতিসংঘ শান্তি মিশনে না পাঠানোর প্রস্তাবও করা হয়।
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সাজা সাত বছর
৯৬ নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিল