কেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে বহু হতাহত

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৫, ০৫:০৩ পিএম

কেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কমপক্ষে ৩১ জন নিহত ও ১০৭ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির মানবাধিকার কমিশন। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে মানবাধিকার কমিশন কেএনসিএইচআর এ তথ্য জানায়। রাজধানী নাইরোবি এবং এলডোরেট শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় কমপক্ষে ৫৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানায় কেএনসিএইচআর। 

জাতিসংঘ বলেছে, তারা এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং তারা বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহারের জন্য কেনিয়ান পুলিশকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে। তবে কেনিয়া পুলিশ এখনও বলছে, বিক্ষোভে নিহত হয়েছে ১১ জন। দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৫২ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন।

এর আগে সোমবার দেশটির গণতান্ত্রিক আন্দোলন ‘সাবা সাবা’–এর ৩৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। দিনটির স্মরণে প্রতি বছর কেনিয়ার মানুষ মিছিল বের করলেও এবার মিছিলটি কেনিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটোর পদত্যাগের দাবিতে বড় আকার ধারণ করে। 

সোমবারের এই বিক্ষোভ মূলত কেনিয়ার দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় সংগঠিত হলেও, তা দ্রুতই সহিংসতায় রূপ নেয়। বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেয় মূলত তরুণ প্রজন্মের জেন-জি জনগোষ্ঠী, প্রেসিডেন্ট বিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন, যা প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটোর পদত্যাগের দাবিকে সামনে নিয়ে আসে।

দেশটির পুলিশ শহরের কেন্দ্রস্থলে যাওয়ার বেশির ভাগ প্রধান রাস্তা বন্ধ করে দিলে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এতে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে। 

আল জাজিরা জানিয়েছে, ১৯৯০ সালে কেনিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল আরাপ মোইয়ের বহু বছরের ‘স্বৈরাচারী’ শাসনের অবসান ঘটিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবি উঠেছিল। সেই আন্দোলনকে স্মরণ করে প্রতি বছর ৭ জুলাই কেনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সোমবার সেই সমাবেশ থেকেই প্রেসিডেন্ট রুটোর পদত্যাগের দাবি ওঠে।

বিক্ষোভের মূলস্রোত ছিল রাজধানী নাইরোবিতে। বিক্ষোভ প্রতিরোধের পদক্ষেপ হিসেবে রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে যাওয়ার বেশিরভাগ প্রধান রাস্তা বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

বিক্ষোভকারীরা সেই সব রাস্তা দিয়ে নাইরোবির কেন্দ্রস্থলে পৌঁছোনোর চেষ্টা করেন। তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের আটকাতেই খণ্ডযুদ্ধ বাধে পুলিশের সঙ্গে। তাদের আটকাতে জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। চালানো হয় গুলিও। তাতেই হতাহত হয় কয়েকশ’ বিক্ষোভকারী। এদের মধ্যে নিহত হয় ৩১ জন। 

এর আগে গত ২৫ জুন সরকার বিরোধী প্রতিবাদ আন্দোলনে ৬০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছিল। মৃল্যবৃদ্ধি সামাল দিতে দেশবাসীর উপর অতিরিক্ত কর চাপানোর প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল আন্দোলন। এর পর ফের সোমবার রুটোর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন উত্তপ্ত হয়ে উঠল কেনিয়া।

এআরএস
ইরানে গত মাসের রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের রেশ এখনো কাটেনি। এর মধ্যেই কর্তৃপক্ষ দেশটির বিভিন্ন ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিচ্ছে। বিশেষ করে তেহরানের কেন্দ্রস্থল ও উত্তরাঞ্চলের ক্যাফে, রেস্তোরাঁ,...
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী ইরাক সীমান্ত দিয়ে সশস্ত্র কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো ইরানে প্রবেশের চেষ্টা করছে।
পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে কমপক্ষে ২১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৩০ জনেরও বেশি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। 
জধানী কাঠমান্ডুর পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় জেন-জি বিক্ষোভ ছড়িয়ে পরার পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী ওলি।
বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখার জন্য কতটা মরিয়া পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, তা মাঠের খেলা শুরু হওয়ার আগেই স্পষ্ট হয়ে গেল। আমেরিকার বিলাসবহুল কোনো রিসোর্টে ফুটবলাররা যাতে প্রমোদ...
বিশ্বকাপের ট্রফি ধরে রাখার মিশন শুরু হওয়ার আগেই আর্জেন্টিনা শিবিরে মহাচিন্তার ভাঁজ! যুক্তরাষ্ট্রে দলটির প্রথম প্রাক-টুর্নামেন্ট অনুশীলন সেশনে বাকি সতীর্থদের সাথে নয়, বরং সম্পূর্ণ একা একা অনুশীলন...
বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। কিন্তু মাঠের লড়াই শুরুর আগেই বাজিকরদের চোখে ফেভারিটের তালিকায় ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ফরাসি দেমাগি ফ্রান্স কিংবা হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ডের চেয়ে...
চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আর যুদ্ধবিগ্রহের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারছে ইরান ফুটবল দল। আগামী শনিবার মেক্সিকোতে নিজেদের বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে উড়াল...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর