অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে রেখে পাওনা টাকা আদায় করতে বন্ধু জরেজ মিয়ার সাথে ঢাকায় এসেছিলেন রংপুরের আশরাফুল। এরপর থেকেই তার খোঁজ মিলছিলো না। ফোন করলে তার বন্ধু জরেজ ফোন রিসিভ করতেন বলে জানিয়েছে পরিবার। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাজধানীর হাইকোর্টের সামনে ড্রামে পাওয়া যায় আশরাফুলের ২৬ টুকরা মরদেহ। পরিবারের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডে জরেজ মিয়া জড়িত।
চার বোনের একমাত্র ভাই আশরাফুল। প্রিয় ভাইকে হারানোর বেদনা কতটা তার কিছুটা বোঝা যায় বোনদের আহাজারিতে।
২৬ টুকরা করা আশরাফুলের মরদেহ বুঝে নিতে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে আসেন পরিবারের সদস্যরা। সেখানে এ হৃদয়বিদারক দৃশ্য। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে আশপাশ।
আশরাফুল ভারত ও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ ও আলু আমদানির ব্যবসা করতেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের বাড়ি থেকে ব্যবসার কথা বলে বন্ধু জরেজ মিয়ার সাথে ঢাকায় আসে আশরাফুল। কিন্তু কে জানতো তার জন্য অপেক্ষা করছে এমন করুণ পরিণতি। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সামনে সড়ক থেকে ড্রামে মেলে আশরাফুলের খণ্ডিত মরদেহ।
এই ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেছে পরিবার। ঘটনার পর থেকেই সন্দেহভাজন জরেজ মিয়া পলাতক।
শাহবাগ থানা ওসি মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর জানান, এ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সোনারগাঁয়ে সিমেন্টবাহী ট্রলার ডুবে নিখোঁজ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ছাত্রদের যৌন হয়রানির মামলায় ঢাবি অধ্যাপক কারাগারে